মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর পৌনে একটার দিকে ঢাকার পূর্বাঞ্চল এবং চট্টগ্রামের একাংশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দেয়।
গুলশান, রামপুরা, মগবাজার, বনশ্রী, খিলগাঁও এবং ভুলতা, হরিপুর ও সিদ্ধিরগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো আকস্মিক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। এতে সচিবালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো রাষ্ট্রীয় ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়। পৌনে দুই ঘণ্টা স্থায়ী এই বিপর্যয়ের পর দুপুর আড়াইটা নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি জানিয়েছে, বিপর্যয়ের পরপরই সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে পর্যায়ক্রমে সেগুলো পুনরায় চালু করার ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত হলো, সে বিষয়ে কোনো কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করেননি। সংশ্লিষ্ট সংস্থাটির পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি বলছে, কারিগরি কারণ জানা যায়নি। ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
পাওয়ার গ্রিড কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের উত্তরাঞ্চলসহ অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ও সচল রয়েছে। এদিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্যমতে, আজ বেলা ১১টার দিকে সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৬০১ মেগাওয়াট, বিপরীতে উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৩০৩ মেগাওয়াট। অর্থাৎ সে সময় ২৯৮ মেগাওয়াট ঘাটতি থাকলেও, এই ঘাটতির সঙ্গে আজকের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।





