উক্ত ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেশ বরেণ্য রাজনীতিবিদ মাওলানা মুফতি মামুনুল হক। আরো ওয়াজ করেন সার্বজন গৃহীত নজরুল ইসলাম কাসেমী, স্থানীয় বেশ কয়েকজন মাওলানা এবং স্থানীয় পর্যায়ের জামাতের কতক নেতা। ওয়াজের বিষয়েবস্তু ও উদ্দেশ্য ছিল ইসলাম সম্পর্কে আলোচনা । কিন্তু উক্ত ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজের পাশাপাশি রাজনৈতিক বক্তৃতা শোনা গিয়েছে যা সাধারণ জনগণ আশা করেনি। মসজিদ কতৃ’ক আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক আলোচনা ও শ্লোগান দেয়া হয়েছে যা মোটেই কাম্য ছিলনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দোকানদার এবং স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, সেদিন মসজিদের ওয়াজ মাহফিলে এরকম রাজনৈতিক বক্তব্যও দেয়া হয়েছে।
বিভিন্ন জন থেকে চাঁদা কালেকশন করে মসজিদে ওয়াজ মাহফিলের কথা বলে যদি রাজনীতি করা হয় তাহলে মসজিদ কতৃ’ক আয়োজন করার কোন প্রয়োজন ছিল কি? অভিযোগ পাওয়া গেছে যে, মাহফিলে সন্তোষজনক লোকের উপস্থিতি না থাকায় অত্র এলাকার বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে নানারকম লোভ দেখিয়ে লোকের সমাগম করা হয়েছে। এরপরও সন্তোষজনক উপস্থিতি দেখা যায়নি। এই আয়োজনের কর্মকাণ্ডে মসজিদ কমিটির সাথে কথা বলতে গেলে জানা যায় যে, আলফেসানি মসজিদের ইমাম হাফেজ মফিজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তার পরামশে’ই উক্ত ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক আলোচনা হয়েছে। কারণ তাঁর বক্তব্যও সব সময় রাজনৈতিকই হয়ে থাকে।
বিজ্ঞ মহল মনে করেন যে, মসজিদের ওয়াজ মাহফিলের নামে রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ হওয়া আবশ্যক।





