চব্বিশের জুলাই গণআন্দোলনে সিলেটের রাজপথে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাবের কবর জিয়ারত করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি। রোববার সকালে বিয়ানীবাজার পৌর শহরের ফতেহপুর কবরস্থানে গিয়ে তিনি দৈনিক নয়া দিগন্তের তৎকালীন সিলেট ব্যুরোপ্রধান ও দৈনিক জালালাবাদের স্টাফ রিপোর্টার শহীদ তুরাবের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
জিয়ারত শেষে ডা. শফিকুর রহমান শহীদ তুরাবের বড় ভাই আবুল আহসান আজরফ জাবুরসহ পরিবারের সদস্যদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জামায়াত আমির বলেন, শহীদ সাংবাদিক তুরাবদের রক্তের বিনিময়ে আজ দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, শহীদ হওয়ার দুই বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত তার হত্যার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়নি। তিনি আরও বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে ভবিষ্যতে তুরাবের মতো সাহসী ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিক তৈরি হবে না। সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা জরুরি।
জামায়াত আমির স্পষ্টভাবে বলেন, আমরা সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচারের দাবিকে জোরদার করব। এর বিচার হতেই হবে। সরকার বিচার করবে কি না তা জানি না, তবে শেষ বিচারের দিনে অবশ্যই তুরাব ন্যায়বিচার পাবেন। এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কবর জিয়ারতের আগে ডা. শফিকুর রহমান তার নানা মাস্টার জোয়াদুর রহমান, প্রবীণ জামায়াত কর্মী মুহুরী আব্দুল খালিক এবং লেখক ও গবেষক আব্দুল হাকিম তাপাদারের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।
রোববার (২৬ জুলাই) সকালে বিয়ানীবাজার পৌর শহরের ফতেহপুর কবরস্থানে গিয়ে তিনি দৈনিক নয়া দিগন্তের তৎকালীন সিলেট ব্যুরোপ্রধান ও দৈনিক জালালাবাদের স্টাফ রিপোর্টার শহীদ তুরাবের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।





