কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে সার না পাওয়ার ক্ষোভ থেকে এক ডিলারের গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে গেছেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। রোববার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে সার ছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শিলখুড়ি ইউনিয়নে সার সরবরাহের জন্য ‘শাহ আমানত ট্রেডার্স’ নামে ১ হাজার ৩২০ বস্তা সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ডিলার পয়েন্টের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ পেলেও মৌসুমের জন্য গুদামে মাত্র ৩৪০ বস্তা ইউরিয়া সার উত্তোলন করে রেখেছিলেন। কৃষকরা কয়েকবার গুদামে গিয়ে সার না পাওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
রোববার সকাল থেকে ডিলার পয়েন্টে প্রায় দুই শতাধিক কৃষক সারের জন্য জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকরা একজোট হয়ে গুদামের দরজা ভেঙে সার নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বাকি সার লুট হওয়া থেকে রক্ষা করে।
ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, এই ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় চার হাজার বস্তা, কিন্তু মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা। উত্তোলন আরও কম থাকায় কৃষকরা সার না পাওয়ার আশঙ্কায় গুদাম থেকে সার নিয়ে যায়। পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন এবং বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে ডিলার তাইফুর রহমান মুকুল অভিযোগ করেছেন, তার গুদাম লুট হয়েছে এবং তিনি এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন।





