মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বাণীতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তারেক রহমান তার বাণীতে বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বাংলাদেশী মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার। তিনি ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রথা চালুর প্রেক্ষাপট স্মরণ করে বলেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে বহুমাত্রিক গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেন।
তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তার সম্মোহনী নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন। এছাড়া গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রাণোৎসর্গকারী ও আহত সকল নেতাকর্মীর প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন অবসানের পর জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। জনগণের আস্থা অক্ষুণ্ণ রেখে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। মঙ্গলবার সকাল ৬টায় নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৯টায় তারেক রহমান ও দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
এছাড়া আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন-বাংলাদেশ মিলনায়তনে বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভা হবে, যেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন তারেক রহমান। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পোস্টার প্রকাশ, বৃক্ষরোপণ এবং মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে। মৎস্য অবমুক্তকরণে নেতৃত্ব দেবেন হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সারা দেশে জেলা ও মহানগর ইউনিটগুলোও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।





