নয়াদিল্লিতে আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ পর্বে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই আমন্ত্রণপত্রে তারেক রহমানকে ‘প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে সম্বোধন না করে ‘বিমসটেকের সভাপতি’ বা ‘বিমসটেকের চেয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অপমানজনক হওয়ার অভিযোগ তোলার প্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়ালকে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি কোনো উত্তর দেননি।
শুক্রবার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, আমন্ত্রণপত্রে পদবি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সে বিষয়ে ভারতের অবস্থান কী। জবাবে জয়সোয়াল বলেন, ব্রিকস সম্মেলন আয়োজনের পূর্ণ প্রস্তুতি চলছে এবং আমন্ত্রণ ও কারিগরি বিষয়গুলো সম্পর্কে পরে হালনাগাদ তথ্য জানানো হবে।
একই ব্রিফিংয়ে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গরের বাংলাদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। সাংবাদিক জানতে চান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত তার আঞ্চলিক কার্যক্রম সম্পর্কে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন কি না। জয়সোয়াল এর উত্তরে বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ঢাকা সফরটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিষয়, তাই এর উত্তর সংশ্লিষ্ট দুই দেশের তরফ থেকেই আসা উচিত।
এছাড়া, ভারতের নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারের সাম্প্রতিক বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে রণধীর জয়সোয়াল জানান, ওই সাক্ষাতের বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে তথ্য পাওয়ার সাথে সাথেই তা জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে দিল্লির আমন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ সরকার এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।





