জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বরিশাল বিভাগের ১৩৭ জন শহীদের স্মরণে একটি স্থায়ী নামফলক স্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা। একই সঙ্গে তারা শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং তাদের পরিবারের মর্যাদা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার সকালে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি, বরিশাল বিভাগ’-এর আয়োজনে সংগঠনের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এই দাবি উত্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার শিরীন। সভায় জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত জুলাই যোদ্ধা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম। অনুষ্ঠানে শহীদ রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী মরিয়ম, শহীদ জাকিরের মা হাওয়া, শহীদ রবিউল ইসলাম ফরাজীর স্ত্রী তানিয়া, শহীদ মহিউদ্দিনের পরিবারের সদস্য ইমন, এমদাদুল হকের পরিবারের সদস্য হাছিনা, শহীদ রাসেল মাহমুদের পরিবারের সদস্য মিরাজ হাওলাদার, শহীদ সুমাইয়ার পরিবারের সদস্য সাগর, শহীদ সুজনের পরিবারের সদস্য সিরাজুল ইসলাম, শহীদ সাজিদ হাওলাদারের পরিবারের সদস্য সুলতান হাওলাদার এবং শহীদ সিয়ামের ভাই রাসেল বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও বিএম কলেজের সাবেক সমন্বয়ক সাব্বির হোসেন সোহাগ এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ ও রহমাতুল্লাহ সাব্বির সভায় বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা জুলাই আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আগামী প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য বরিশাল বিভাগে ১৩৭ জন শহীদের স্মরণে একটি স্থায়ী নামফলক নির্মাণ সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শহীদদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে জানতে পারবে এবং তাদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে সক্ষম হবে। অনুষ্ঠান শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি, বরিশাল বিভাগ’-এর উদ্যোগে সংগঠনের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।





