জিম্বাবুয়ের ৮ উইকেট পতন, জয়ের পথে বাংলাদেশ

প্রকাশ:

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে তাদের ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে এবং ম্যাচ জিততে হলে শেষ ৬ ওভারে তাদের প্রয়োজন ৭৮ রান। এর আগের ওভারেই জিম্বাবুয়ের ভরসা হয়ে থাকা রায়ান বার্ল আউট হয়ে যান। জিম্বাবুয়ের শুরুটা ছিল বিপর্যয়কর; মাত্র ৩ ওভারে তারা ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে। মেহেদী হাসান নিজের প্রথম ওভারে মারুমানিকে ফেরান, পরের ওভারে নাহিদ রানা বোল্ড করেন ব্রায়ান বেনেটকে এবং তৃতীয় ওভারে মেহেদীর বলে বোল্ড হন মাইয়ার্স।

এর আগে টসে জিতে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। বাংলাদেশ তাদের একাদশে নাসুম আহমেদের জায়গায় রিশাদ হোসেনকে অন্তর্ভুক্ত করে। বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের শুরুতে দুই ওপেনার নড়বড়ে থাকলেও একের পর এক জীবন পেয়ে তারা ১০০ রানের জুটি গড়েছিলেন। সাইফ হাসান পাঁচবার জীবন পান। তবে ১২.১ ওভারে দলীয় ১০০ রানের পর ছন্দপতন ঘটে। সিকান্দার রাজার বলে সাইফ বোল্ড হওয়ার পর মাত্র ১৪ বলের ব্যবধানে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে এবং এই সময়ে মাত্র ১৯ রান যোগ করতে সক্ষম হয়।

তানজিদ হাসান ৪৪ বলে ৫৮ রান করে রিচার্ড এনগারাভার বলে বোল্ড হন। এরপর দ্রুত তাওহিদ হৃদয়ও আউট হয়ে যান। তবে শেষদিকে সাইফউদ্দিন ও ইয়াসির আলী দলের হাল ধরেন। ইয়াসির ১২ বলে ২২ রান করেন। সাইফউদ্দিন ব্রাড ইভান্সের শেষ ওভারে চার বলে চার ছক্কা হাঁকিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন। যদিও একই ওভারে সবচেয়ে বেশি ছক্কা হজমের রেকর্ডও তার ঝুলিতে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রানের লড়াকু পুঁজি গড়ে। জিম্বাবুয়ে বর্তমানে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে আছে, কারণ এর আগে তারা টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে এবং প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে তিন ফরম্যাটেই সিরিজ হারানোর সুযোগ তাদের সামনে।

বাংলাদেশ: ১৫.৫ ওভারে ১২৮/৩। একের পর এক ক্যাচ ছেড়েছেন ফিল্ডাররা, যার ফলে ১২৮ রান তুলতে বেগ পেতে হয়েছে জিম্বাবুয়েকে।

বাংলাদেশ: ৩.৪ ওভারে ২৯/৩.দুই ওপেনার শুরুটা নড়বড়েই করেছিলেন।

বাংলাদেশ: ১৭ ওভারে ১৪২/৫.এবার আউট হয়ে গেলেন তানজিদ হাসানও।

শেয়ার করুন