অবকাঠামো ও জ্বালানি খাতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ

প্রকাশ:

পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও নগর উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে চীনের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। মন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার এবং দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়ঃনিষ্কাশন ও আবাসন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে চীনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাজধানীর কড়াইল, গুলশান ও মহাখালী বস্তির উন্নয়নে আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যাতে চীন ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। এছাড়া দাশেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের পূর্ণ ব্যবহারের জন্য পাইপলাইন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে প্রতিমন্ত্রীর চীন সফরের সময় এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ রয়েছে।

বৈঠকে শিক্ষা কারিকুলামে চীনা ভাষা অন্তর্ভুক্তকরণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটি বৃদ্ধিতেও চীন আগ্রহী। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো: শহীদুল হাসান এবং ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: মনিরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন