নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস' পালন করা হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই স্মারক সংবর্ধনায় জাতিসংঘের বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বক্তব্যে বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ ছিল চব্বিশের এই জুলাই গণঅভ্যুত্থান। তিনি আরও উল্লেখ করেন, একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই গণঅভ্যুত্থান জাতির অটুট অঙ্গীকার ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে।
রাষ্ট্রদূত এ সময় সরকারের রূপরেখা ও 'থ্রি আর' কৌশল— রিকভারি (পুনরুদ্ধার), রেস্টোরেশন (পুনর্বাসন) এবং রিকনস্ট্রাকশন (পুনর্গঠন)-এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি সুসংহত করা। পাশাপাশি জাতিসংঘ সনদের মূল্যবোধ ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
স্মারক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্বের ওপর নির্মিত একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।





