স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়তে যে ৬ প্রযুক্তিদক্ষতা আয়ত্ত করা জরুরি

প্রকাশ:

চাকরির বাজার এখন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, যেখানে কেবল প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা ভালো পরীক্ষার ফলাফল আর যথেষ্ট নয়। নিয়োগদাতারা এখন প্রার্থীর এমন দক্ষতা দেখতে চান, যার মাধ্যমে তিনি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজের গতি বাড়াতে পারেন এবং নতুন পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ও লিঙ্কডইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে যান্ত্রিক দক্ষতা মূল চালিকাশক্তি হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশেও ব্যাংক, করপোরেট ও সংবাদমাধ্যমের মতো খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে, তাই তরুণদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রযুক্তিদক্ষতা অর্জন এখন সময়ের দাবি।

প্রযুক্তিদক্ষতা বলতে কেবল কম্পিউটার কোডিং বোঝায় না, বরং নিজের পেশাগত কাজের সাথে প্রযুক্তির যথাযথ সমন্বয় ঘটানোই আসল বুদ্ধিমত্তা। ক্যারিয়ারের উন্নতির জন্য যে ৬টি দক্ষতা বিশেষভাবে প্রয়োজন তা হলো:

প্রথমত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সক্ষমতা। কাজের পরিকল্পনা করা, খসড়া লেখা এবং সময় বাঁচাতে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন অপরিহার্য। যন্ত্রকে সঠিক নির্দেশনা দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা একটি বড় শক্তি। দ্বিতীয়ত, তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা। প্রতিষ্ঠানের বড় সিদ্ধান্তগুলো এখন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়, তাই বাজারের পরিস্থিতি বুঝতে সাধারণ হিসাব-নিকাশের সফটওয়্যার জানলেই এতে সুবিধা পাওয়া যায়।৩. এই কাজে দক্ষ হলে কাজের গতি অনেক বাড়ে।৪. বিমানবাহিনীতে বেসামরিক পদে বড় নিয়োগ, ৩৪২ পদের সব তথ্য জেনে নিন। তৃতীয়ত, ডিজিটাল উপায়ে কাজ করার অভ্যাস। অনলাইন মিটিং ও দূর থেকে কাজ করার প্রথা বাড়ছে বিধায় কম্পিউটারে নথিপত্র আদান-প্রদান ও ডিজিটাল মাধ্যমে কাজের গতি বজায় রাখা জরুরি।

চতুর্থত, তথ্য সুরক্ষার সচেতনতা। অনলাইনে কাজের পরিধি বাড়লে তথ্য চুরির ঝুঁকিও বাড়ে, তাই ভুয়া বার্তা চেনা এবং তথ্য নিরাপদ রাখার প্রাথমিক জ্ঞান সবার থাকা উচিত।৫. পঞ্চমত, প্রযুক্তি দিয়ে সমস্যা সমাধানের মানসিকতা। কাজের জটিলতা মেটাতে কোন প্রযুক্তি সবচেয়ে কার্যকর হবে, তা শনাক্ত করতে পারা বুদ্ধিমানের কাজ। ষষ্ঠত, নতুন প্রযুক্তি দ্রুত শেখার প্রবণতা। প্রযুক্তির জগৎ প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, তাই নতুন উদ্ভাবন এলে তা দ্রুত আয়ত্ত করার মানসিকতা থাকতে হবে।

পেশা গবেষকদের মতে, বাংলাদেশের তরুণদের প্রযুক্তিকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখলে চলবে না। একে ক্যারিয়ারের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে, কারণ ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে তারাই এগিয়ে থাকবে, যারা পেশার সঙ্গে প্রযুক্তিকে যুক্ত করতে পারবে। ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে বড় নিয়োগ, পদ ৩২০।

শেয়ার করুন