আগামী ৯ জুলাই প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। এ বছর সারা দেশে মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তির আওতায় আনা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উৎসাহ বাড়াতে বর্তমানে প্রচলিত বৃত্তির অর্থ দ্বিগুণ থেকে চার গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধির একটি প্রস্তাবনা সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ এস এম সিরাজুদ্দোহা শনিবার বিকেলে জানান, ফল প্রকাশের প্রস্তুতি ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৯ জুলাই তা প্রকাশ করা সম্ভব হবে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বরাবরের মতো এবারও শিক্ষার্থীদের ‘ট্যালেন্টপুল’ (মেধাবৃত্তি) এবং ‘সাধারণ গ্রেড’—এই দুই ক্যাটাগরিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
উল্লেখ্য, পার্বত্য তিন জেলা ব্যতীত সারা দেশে গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত একযোগে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বিশেষ পরিস্থিতির কারণে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল বিশেষ সময়সূচিতে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। ফল প্রকাশের পর অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘আইপিইএমআইএস’ পোর্টাল এবং মোবাইল এসএমএস-এর মাধ্যমে খুব সহজেই তা জানতে পারবেন।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত টানা তিন বছর আর্থিক সুবিধা পাবে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী মাসিক ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবে। অন্যদিকে সাধারণ গ্রেডে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী মাসিক ২২৫ থেকে ২৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবে।
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৬: ১৯আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৬: ২০





