নেক আমলের পার্থিব ৫টি পুরস্কার ও কল্যাণ

প্রকাশ:

ইসলামে ঈমান ও নেক আমলের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এর মাধ্যমে একজন মুমিন শুধু পরকালীন মুক্তিই লাভ করেন না, বরং দুনিয়ার জীবনেও আল্লাহতায়ালা তাকে অগণিত পুরস্কার ও কল্যাণ দান করেন। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বিষয়টি বারবার গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। নেক আমলের পার্থিব পাঁচটি পুরস্কার নিচে আলোচনা করা হলো।

প্রথমত, নেক আমলকারীরা দুনিয়াতে সুখী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন লাভ করেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘মোমিন পুরুষ ও নারীর মধ্যে যে কেউ সৎ কাজ করবে, তাকে আমি নিশ্চয়ই আনন্দময় জীবন দান করব এবং তাদেরকে তাদের কর্মের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার প্রদান করব।’ (সুরা নাহল : ৯৭)।

দ্বিতীয়ত, নেক আমল জীবনে অফুরান বরকত ও প্রাচুর্য নিয়ে আসে। অতীতের অনেক সম্প্রদায়কে তাদের নেক আমলের কারণে আল্লাহ বরকতের দরজা খুলে দিয়েছিলেন। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘তাকে আমি লক্ষ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরণ করেছিলাম এবং তারা ঈমান এনেছিল, ফলে আমি তাদেরকে কিছু কালের জন্য জীবনোপভোগ করতে দিলাম।’ (সুরা সাফফাত : ১৪৭-১৪৮)।

তৃতীয়ত, আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় কাজ করা, ন্যায় ও সত্যের পথে চলা এবং ইসলামের দাওয়াত ছড়িয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য ও বিজয় আসে। আল্লাহ বলেন, ‘হে মোমিনগণ, যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্য কর তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করবেন এবং তোমাদের অবস্থান দৃঢ় করবেন।’ (সুরা মুহাম্মাদ : ৭)।

চতুর্থত, নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সুসম্পর্ক তৈরি হয়, যার ফলে পৃথিবীতে তার সম্মান ও খ্যাতি বৃদ্ধি পায়। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নেক আমল করে আল্লাহতায়ালা অবশ্যই তাদের জন্য মানুষের অন্তরে ভালোবাসা তৈরি করে দেন।’ (সুরা মরিয়ম : ৯৬)।

পঞ্চমত, নেক আমলের একটি বড় পার্থিব পুরস্কার হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভ করা। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে, আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়ায় ক্ষমতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’ (সুরা নুর : ৪৫৫)।

শেয়ার করুন