জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ মন্তব্য করেছেন যে, সুষ্ঠু পরিবেশ থাকলে জাতীয় পার্টি বিরোধী দলের অবস্থানে থাকত। মঙ্গলবার গুলশানের ইমানুয়েল কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই সভায় তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার একটি নির্দিষ্ট দলকে বিরোধী দল বানাতে চেয়েছিল এবং তাদের নির্বাচন করতে দেওয়া হয়নি। তিনি স্বীকার করেন যে, অতীতে তারা অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দিলেও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে উন্নতি করতে পারেননি, যা তাদের ভুল ছিল। এখন থেকে আর ভুল নয় বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির মাধ্যমে বৃহত্তর ঐক্য গড়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ আরও বলেন, তারা স্বাধীনতার সপক্ষের বা বিপক্ষের বিতর্ক চান না এবং ‘৭১ ছাড়া বাংলাদেশ চলবে না বলে মন্তব্য করেন। বর্তমান সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, জনগণ যা চায় তা না করলে সরকার বেশি সময় পাবে না। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ফসল হিসেবে সংসদে আসায় সরকারকে বৈষম্য দূর করার তাগিদ দেন তিনি। এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের দুঃশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপির দেওয়া বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, যা আইএমএফও মনে করে। দেশের কল্যাণে সংস্কার অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও এনডিএফ মুখপাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হলে ভালো হতো এবং আগামীতে তা প্রত্যাশা করেন তারা। তিনি আরও বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুর্নীতির খবর এখন প্রকাশ হচ্ছে, তাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুর্নীতিবাজদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা তুলে ধরে তা সমাধানের দাবি জানান। তিনি ১৯৮৮ সালের বন্যা মোকাবিলায় এরশাদের ভূমিকার কথা স্মরণ করে বর্তমান সরকারকে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।
স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশীদ, অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহিদুর রহমান টেপা, শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, আবু নাসের মো. ওহেদ ফারুক, মো. মিজানুর রহমান মিজু, নাজমা আকতার, মোবারক হোসেন আজাদ ও ফখরুল আহসান শাহজাদা। সভার শুরুতে মোনাজাত করা হয় এবং শেষে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। এর আগে ১৪ জুলাই প্রথম প্রহরে কাকরাইলে এরশাদের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
মঙ্গলবার গুলশানের ইমানুয়েল কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, স্বাধীনতার পক্ষে, বিপক্ষে; এই বিতর্ক আমরা চাই না। ’৭১ ছাড়া বাংলাদেশ চলবে না। যে সংসদে আপনার
তিনি বলেন, আমরা যখন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলাম তখন ’৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যা মোকাবিলা করেছি। আমাদের প্রয়াত নেতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বন্যাকবলিত এলাকায় ছুটে গিয়েছিলেন। আমরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বন্যা মোকাবিলা করেছিলাম। বৃহত্তর চট্টগ্রামসহ বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা বৃদ্ধি ও বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য সরকারকে কার্যকর পদ




