৫ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৭ সালের ডিভি লটারি চালুর নির্দেশ ফেডারেল আদালতের

প্রকাশ:

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা বা ডিভি লটারির নিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির ফেডারেল আদালত। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করতে হবে। এছাড়া ১ নভেম্বরের মধ্যেই আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফোর্বসের তথ্যমতে, এই নিবন্ধন কার্যক্রম প্রায় ৩০ দিন পর্যন্ত চলমান থাকতে পারে।

ডিভি লটারি নিয়ে নতুন এই ঘোষণার পর বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। তবে বাংলাদেশ এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের যোগ্য দেশের তালিকায় থাকবে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের পুরোনো রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ এই কর্মসূচির অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি ডিভি ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ায় বাংলাদেশ এই যোগ্যতা হারায়। ডিভি লটারি মূলত এমন দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত, যেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার তুলনামূলকভাবে বেশ কম।

বিশ্বজুড়ে গ্রিন কার্ড লটারি হিসেবে পরিচিত এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার যোগ্য ব্যক্তিকে অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের স্পন্সরশিপের প্রয়োজন হয় না। তবে লটারিতে নাম উঠলেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হয় না; নির্বাচিতদের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ, উপযুক্ত নথিপত্র প্রদান এবং কঠোর অভিবাসন ও নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

আবেদনকারীদের জন্য সাধারণত ন্যূনতম উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বা সমমানের যোগ্যতার শর্ত থাকে। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার পরিবর্তে নির্দিষ্ট কিছু পেশায় অভিজ্ঞতার প্রমাণ থাকলেও আবেদন করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে আগ্রহীদের জন্য প্রধান করণীয় হলো মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করা। চূড়ান্ত সময়সূচি, যোগ্যতার শর্তাবলি এবং আবেদনের বিস্তারিত পদ্ধতি জানার পরই বোঝা যাবে, বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ২০২৭ সালের লটারি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে কি না।

শেয়ার করুন