২ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৬জি প্রযুক্তি কী এবং এটি কবে নাগাদ আসছে?

প্রকাশ:

বিশ্বজুড়ে ৫জি প্রযুক্তির ব্যবহার এখনো পুরোপুরি বিস্তার লাভ করেনি, এরই মধ্যে ৬জি নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। এর মূল কারণ হলো, নতুন প্রজন্মের যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরিতে অনেক দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। মুঠোফোন থেকে শুরু করে স্মার্ট গাড়ি, বাসাবাড়ি এবং বিভিন্ন ডিজিটাল যন্ত্রের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যেই মূলত ৬জি প্রযুক্তির আগাম প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। ৫জি প্রযুক্তির বিস্তারই যেখানে এখনো সম্পূর্ণ হয়নি, সেখানে ৬জি নিয়ে এত আগ্রহ কেন।

মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তির ষষ্ঠ প্রজন্ম হিসেবে পরিচিত ৬জি কেবল ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর মাধ্যম নয়। এটি নেটওয়ার্কের কার্যপরিধি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তির বিশেষত্ব হলো, এটি নেটওয়ার্কের বেতার সংকেত ব্যবহার করে আশেপাশের পরিবেশে মানুষ বা গাড়ির অবস্থান শনাক্ত করার মতো নতুন সব সুবিধা প্রদান করতে পারে। জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ) এই প্রযুক্তিকে ‘আইএমটি-২০৩০’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

বর্তমানে ৬জি প্রযুক্তি বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত না থাকলেও এর কারিগরি মান ও কর্মক্ষমতা নির্ধারণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলোও নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টি-মোবাইল আগামী ২০২৯ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ৬জি সেবা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

তবে কোনো নতুন প্রযুক্তি বাজারে আসার মানেই তা সবার জন্য সহজলভ্য হওয়া নয়। অতীতের ৪জি বা ৫জি প্রযুক্তির বিবর্তনের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সেগুলো ধাপে ধাপে ছড়িয়ে পড়েছে। ৬জি প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও একই ধরনের ধারাবাহিক বিবর্তন পরিলক্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০৩০ সালকে লক্ষ্যমাত্রা ধরে এই আধুনিক প্রযুক্তির মান নির্ধারণের কাজ চলছে। ৩জি, ৪জি ও ৫জির পর ৬জি আসবে। ২০৩০ সালকে সামনে রেখে প্রযুক্তিটির মান ও কার্যক্ষমতা নির্ধারণে অগ্রগতি হচ্ছে।

শেয়ার করুন