প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন। এর মধ্যে ২০১৯ সালের জন্য ছয়জন, ২০২০ সালের জন্য পাঁচজন এবং ২০২১ সালের জন্য পাঁচজন শিক্ষার্থী স্থান পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর রিসার্চ গ্রান্টস অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড বিভাগ এ তালিকা প্রকাশ করেছে। সারা দেশ থেকে মোট ৪৬৯ জন শিক্ষার্থী এই পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
চূড়ান্তভাবে মনোনীত শিক্ষার্থীদের তালিকা ইউজিসির ওয়েবসাইট (www.ugc.gov.bd)-এর সম্মাননা সেবাবক্সের ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ লিঙ্কে দেখা যাচ্ছে। তালিকা সম্পর্কে কোনো শিক্ষার্থী বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আপত্তি কিংবা মন্তব্য থাকলে, প্রয়োজনীয় প্রমাণকসহ আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে পরিচালক, রিসার্চ গ্রান্টস অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ড বিভাগ, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭ বরাবর লিখিত আবেদন বা ই-মেইল ([email protected] ) পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না এবং এই তালিকা চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। নগর, ঢাকা-১২০৭ বরাবর লিখিতভাবে অথবা ই-মেইলের ([email protected] ) মাধ্যমে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দেবে সরকার, আবেদন যেভাবে।
২০১৯ সালের পদকপ্রাপ্তরা হলেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের মো. সাগর ইসলাম, পরিসংখ্যানের মো. ইসমাইল হোসাইন রিদয়, ইসলামিক স্টাডিজের সুরাইয়া বিনতে রফিক, অর্থনীতির মিতু রানী রায়, আইনের মাহমুদা আমির ইভা এবং মাইক্রোবায়োলজির শারমিন আক্তার। তারা সবাই ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের। ২০২০ সালের জন্য মনোনীতরা হলেন শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অনুরাধা পাল, মার্কেটিংয়ের মো. নয়ন হোসাইন, গণিতের তাসলিমা আক্তার, লোকপ্রশাসনের মাহাবুবুল আলম ও উদ্ভিদবিজ্ঞানের মো. আনিক মিয়া। তারা ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ২০২১ সালে মনোনীতরা হলেন ইংরেজির রুনা আক্তার, পরিসংখ্যানের রেহানা আক্তার তামিম, নৃবিজ্ঞানের লায়লা নিগার তানভী, আইনের হামিদা সুলতানা এবং ফার্মেসির মৌসুমি আক্তার মিতু, যারা ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
উল্লেখ্য, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেধাবী ও কৃতী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে ২০০৫ সালে এই সম্মাননা প্রবর্তন করে ইউজিসি। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিভিন্ন অনুষদে সর্বোচ্চ নম্বর বা সিজিপিএ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের এই পদকের জন্য বাছাই করা হয়। ২০০৫ সালে এ পদক চালু করা হয়।
এদিকে, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়ের জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও ২৯ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. শেখ গিয়াসউদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. শেখ গিয়াসউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ২০২২, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫-এর জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করার বিষয়ে জানা।





