২৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভিনিসিয়ুসের বাজারমূল্যে বড় ধস

প্রকাশ:

২০২৩-২৪ মৌসুমে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের মাঠের বিধ্বংসী রূপ ফুটবল বিশ্বকে মুগ্ধ করেছিল। তখন তার ড্রিবলিং আর ক্ষিপ্র গতি প্রতিপক্ষের রক্ষণে ত্রাস সৃষ্টি করত। কিন্তু সেই ভিনির সঙ্গে বর্তমানের ভিনিসিয়ুসের তুলনা করলে বিশাল এক ব্যবধান চোখে পড়ে। মাঠের পারফরম্যান্সের এমন অবনতির প্রভাব সরাসরি পড়েছে তার বাজারমূল্যে। প্লেয়ার ভ্যালুয়েশন বিশেষজ্ঞ ‘ট্রান্সফারমার্কেট’-এর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ভিনিসিয়ুসের বাজারমূল্য ১০ মিলিয়ন ইউরো কমে এখন ১৩ কোটি ইউরোতে দাঁড়িয়েছে, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০২৩-২৪ মৌসুমের সেই বিধ্বংসী ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কথা মনে আছে। প্লেয়ার ভ্যালুয়েশন বিশেষজ্ঞ ‘ট্রান্সফারমার্কেট’-এর আগের আপডেটে যা ছিল ১৪ কোটি ইউরো, সেখান থেকে ১০ মিলিয়ন কমে তা এখন ১৩০ মিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে। এবার সেই ভিনির পাশে আজকের ভিনিকে দাঁড় করান তো — পার্থক্যটা দেখে সত্যি থ বনে যেতে হয়, একেবারে আকাশ আর পাতাল। পারফরম্যান্সের এমন ভাটায় স্বাভাবিকভাবেই ফুটবলারদের মূল্যও কমতে থাকে। চলতি মৌসুমে কিছুটা ধীরগতির শুরুর কারণেই তার বাজারমূল্যে এই পতন।

কেরিয়ারের সোনালী সময় কাটিয়েছিলেন ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের দিকে। সেই সময় তার বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ২০ কোটি ইউরো পর্যন্ত পৌঁছেছিল এবং তিনি বিশ্বের যৌথভাবে সবচেয়ে দামী ফুটবলারের তকমা পেয়েছিলেন। কিন্তু গত ১৮ মাসে তার সেই মূল্যায়ন প্রায় ৭ কোটি ইউরো হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে ২২ কোটি ইউরো বাজারমূল্য নিয়ে যৌথভাবে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন লামিনে ইয়ামাল ও আর্লিং হালান্ড। আর ভিনিসিয়ুস এখন দামী ফুটবলারদের তালিকায় ১০ নম্বর অবস্থানে নেমে গেছেন।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে এই মৌসুমে ৭ ম্যাচ খেলে মাত্র একটি গোল করতে পেরেছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা, যা তার বর্তমান ফর্মের বড় প্রমাণ। বিশেষ করে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ডার্বি ম্যাচে হতাশাজনক পারফরম্যান্স তাকে তীব্র সমালোচনার মুখে ঠেলে দিয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপে (৩য়) এবং জুড বেলিংহামের (৫ম) মতো সতীর্থদের তুলনায় তিনি এখন বেশ পিছিয়ে পড়েছেন।

এদিকে, রিয়াল মাদ্রিদের আইভোরিয়ান তারকা ইয়ান দিওমান্দোর বাজারমূল্য ঊর্ধ্বমুখী। তার দর ৯ কোটি ইউরো থেকে বেড়ে এখন ১২ কোটি ইউরোতে পৌঁছেছে। যেভাবে তিনি এগিয়ে আসছেন, তাতে অদূর ভবিষ্যতেই তিনি ভিনিসিয়ুসকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে যেখানে ভিনিসিয়ুস শিখরে ছিলেন, সেখান থেকে তার এই বড় পতন নিশ্চিতভাবেই রিয়াল মাদ্রিদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেয়ার করুন