৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশ:

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নিউইয়র্কের পথে যাত্রা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সস্ত্রীক তিনি নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণ, যা কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের পোডিয়াম থেকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের অধিবেশনের প্রতিপাদ্য হলো ‘রেস্টোরিং ট্রাস্ট, ম্যানেজিং ট্রান্সফরমেশন: এ ইউনাইটেড নেশনস দ্যাট ডেলিভারস ফর অল’ (Restoring trust, managing transformation: A United Nations that delivers for all)।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ২৪ সেপ্টেম্বরের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতা, গণতান্ত্রিক রূপান্তর, আইনের শাসন ও জবাবদিহির বিষয়গুলো তুলে ধরবেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নতুন সরকারের অবস্থান ও অগ্রাধিকারগুলো বিশ্বনেতাদের সামনে স্পষ্ট করবেন তিনি।

এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য বাড়তি গুরুত্বের দাবি রাখে। কারণ, ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। একদিকে সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে দেশের প্রতিনিধি, অন্যদিকে সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম আন্তর্জাতিক ভাষণ—সব মিলিয়ে বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশের উপস্থিতি এবার ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক আগমন ঘিরে সেখানকার বাংলাদেশি কমিউনিটির মাঝে ব্যাপক প্রস্তুতি ও উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। প্রবাসীদের নজর এখন ২৪ সেপ্টেম্বরের ভাষণের দিকে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন বার্তা ও অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরবেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সব মিলিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের পোডিয়াম থেকে তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতা, অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান কীভাবে তুলে ধরেন—সেদিকে নজর থাকবে দেশে ও প্রবাসে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সফরসঙ্গীদের মধ্যে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা রয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জ্যাকসন হাইটসসহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনও কর্মসূচি নিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জলবায়ু সংকট এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এবারের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন