৫ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জানুয়ারিতে হতে পারে ইউপি নির্বাচন: ইসি মাছউদ

প্রকাশ:

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে পরীক্ষা ও অন্যান্য প্রশাসনিক জটিলতার কারণে চলতি বছরে ভোট না নিয়ে আগামী বছরের জানুয়ারিতে নির্বাচনের নতুন সম্ভাবনা যাচাই করছে কমিশন। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এ বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি।

কেন পিছিয়ে যাচ্ছে ভোটের তারিখ

  • নভেম্বর ও ডিসেম্বরে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের পরীক্ষা চলমান থাকবে, যা নির্বাচনী কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
  • ভোটকেন্দ্র হিসেবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা এবং শিক্ষকদের নির্বাচনী দায়িত্বে ব্যস্ত থাকার বিষয়টি নির্বাচন কমিশন গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।
  • মূলত এসব জটিলতার কারণেই ১২ নভেম্বর থেকে ভোট শুরুর যে প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল, তা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ইসি মাছউদ জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে ১২ নভেম্বর ভোট নেওয়ার তারিখ নির্ধারিত ছিল। কিন্তু নতুন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। এছাড়া কমিশনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, ২৩, ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে যে সংলাপের আয়োজন করা হয়েছিল, তা বর্তমানে বাতিল করা হয়েছে। ইউপি নির্বাচনের পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা বা নতুন তফসিল সম্পর্কে কমিশন এখনো বিস্তারিত কোনো সময়সূচি ঘোষণা করেনি। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর আগে নির্বাচন কমিশন নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা জানিয়েছিল।

শেয়ার করুন