সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও চড়া ডিম ও মুরগির দাম

প্রকাশ:

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ পিএম। রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় কিছু পণ্যের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। শুক্রবার খিলক্ষেত কাপ্তান বাজার, রায়সাহেব বাজার, বাবু বাজার ও কাওরান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পটল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল, ঝিঙে, জালি ও পেঁপের মতো সবজির দাম কমেছে। তবে বেগুন, টমেটো ও শিমের মতো কিছু সবজি এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে, যার কেজি ৩০ টাকা। এছাড়া পটল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল, ঝিঙে ও জালি ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, লাউ ও ধুন্দল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসার দাম মানভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হলেও দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ও টমেটোর দাম এখনও বেশ বেশি; লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দামের তালিকায় রয়েছে শিম, যা বাজারভেদে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ বাড়ায় কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে নেমেছে।

সবজির বাজারে স্বস্তি থাকলেও মাছ-মাংস ও ডিমের বাজারে চিত্র ভিন্ন। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০ থেকে ১৩০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। ডিমের দাম আগের মতোই প্রতি ডজন ১৫০ টাকা এবং হালি ৫০ টাকা দরে অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজারেও সপ্তাহের ব্যবধানে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। তেলাপিয়া ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০-২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৮০-৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১০০০-১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাবদা ৪০০-৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০-৫৫০ টাকা, মৃগেল ৩০০-৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০-৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০-৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং পোয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের দাম সাইজ অনুযায়ী ১২০০ থেকে ২৪০০ টাকা কেজি। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

এদিকে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর পরও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। শান্তিনগর, মৌচাক, মালিবাগ, রামপুরা ও কারওয়ান বাজারে প্রতি লিটার তেল ২০৪ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। খিলক্ষেতের বাসিন্দা মো. রহিম অভিযোগ করেন, তেলের দাম বাড়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর ব্যয়ের চাপ আরও বেড়েছে।

মাছের বাজারেও সপ্তাহের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতল ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং পোয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ বিক্রি হচ্ছে সাইজ অনুযায়ী ১২০০ থেকে ২৪০০ টাকা কেজি দরে।

শেয়ার করুন