প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পিএম। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কুয়েত স্টেশন ম্যানেজার মো. শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমেছে, তবুও তিনি বীরদর্পে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে মানব পাচার, অতিরিক্ত ব্যাগেজের নামে অনিয়ম এবং সরকারি ফি ও রসিদ ছাড়াই লাগেজ পার করে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম নিয়ে কয়েক দফায় তদন্ত হলেও এক অদৃশ্য ‘ক্ষমতার প্রভাবে’ তার বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সর্বশেষ গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ ও মুভমেন্ট অর্ডার দেওয়া হয়। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই বৃহস্পতিবার কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই সেই আদেশ বাতিল করে তাকে কুয়েত স্টেশনেই বহাল রাখা হয়। বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিসেসের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ফারহানা আক্তারের স্বাক্ষরিত দাপ্তরিক চিঠিতে এই আদেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়েছে। এ ধরনের প্রশাসনিক নাটকীয় পরিবর্তনকে সংশ্লিষ্টরা নজিরবিহীন বলে অভিহিত করছেন।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গুরুতর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও স্ট্যান্ড রিলিজ করে আবার আগের পদে পুনর্বহাল করা স্পষ্টতই ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির শামিল। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই এবং এই অদৃশ্য ক্ষমতার উৎস খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ মহাব্যবস্থাপক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মহিউদ্দিন আহমেদ একে প্রশাসনিক বিষয় হিসেবে আখ্যা দিয়ে জানান, ম্যানেজমেন্টের প্রয়োজনে এবং বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, কুয়েত স্টেশনে শাহজাহানের স্ত্রী শামিমা পারভীনের পদায়ন নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। স্বামী-স্ত্রী একই স্টেশনে দায়িত্ব পালন করায় ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। এছাড়া অনিয়ম খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকায় বসে তদন্তের পরিধি সীমিত রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে ঝটিকা তদন্তে ১৪ জনের মধ্যে ১২ জনের অতিরিক্ত ব্যাগেজ পাওয়ার তথ্য সামনে এলেও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না হওয়ায় মূল হোতাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিমানের কুয়েত স্টেশনের ম্যানেজার মো. শাজাহান (পি-৩৬৪৮৯) কে স্ট্যান্ড রিলিজ ও মুভমেন্ট অর্ডার দেওয়া হয়। কিন্তু পরদিন বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কোনো স্পষ্ট কারণ না জানিয়েই সেই আদেশ বাতিল করে তাকে কুয়েত স্টেশনেই বহাল রাখা হয়েছে।
যুগান্তরের হাতে হাতে আসা বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিসেসের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ফারহানা আক্তারের স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক চিঠিতে (স্মারক নং-৩০.৩৪.০০০০.০১৯.১৪.০০৫.২৬) বৃহপতিবার আগের আদেশ প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কুয়েতে বিমানের স্টেশন ম্যানেজার মো.





