২২ কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ নভেম্বরের বিপ্লব দেশক প্রকৃত স্বাধীনতা দিয়েছে: রিজভী

প্রকাশ:

৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ তার প্রকৃত স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করার দীপ্ত অঙ্গীকার খুঁজে পেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কারামুক্তির মাধ্যমেই সমগ্র জাতি আবার নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার সঠিক দিকনির্দেশনা পেয়েছিল।

শনিবার (৭ নভেম্বর) শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন। ইতিহাস স্মরণ করে রিজভী অভিযোগ করেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি মাত্র দুই-তিন মিনিটের মধ্যে পুরো জাতিকে চিরতরে পরাধীন ও শৃঙ্খলিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী বিশেষ আইন পাস ও বাকশাল গঠনের মাধ্যমে জনগণের সব মৌলিক নাগরিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, যা পরবর্তীতে তাদের নিজেদের মধ্যেই মারাত্মক রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এরপর তাদের নিজেদের পালটাপালটি মর্মান্তিক রক্তপাতের পরিস্থিতি তৈরি করে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় এক চরম অরাজকতার মধ্যে দেশকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল এবং পুরো জাতি গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। ঠিক সেই সংকটময় মুহূর্তে এ দেশের মানুষের একমাত্র আকুতি ছিল প্রকৃত স্বাধীনতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্বাদ স্বাদ গ্রহণ করা, যা জিয়াউর রহমানই বাস্তবে ফিরিয়ে এনেছিলেন।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, ৩ নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারকে ক্যান্টনমেন্টের বাসভবনে বন্দি করে রাখা হলে স্বাধীন জাতির প্রত্যাশা তীব্র হতাশায় রূপ নেয়। চারপাশে কেবল আশঙ্কা ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছিল। অবশেষে ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমান মুক্ত হলে জাতি তার নতুন পথের ঠিকানা খুঁজে পায়। পরবর্তীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও উৎপাদনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করে এবং দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনর্জন্ম হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, ২৩ নভেম্বর এ দেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার পরিবারকে ক্যান্টনমেন্টের বাসায় বন্দি করে রাখা হয়, তখন একটি স্বাধীন জাতির স্বাধীনভাবে বিকশিত লাভের যে আশা-আ।

শেয়ার করুন