ফুটবল খেলার মাঠে এতদিন আমরা যে প্রচলিত হলুদ ও লাল কার্ড দেখে অভ্যস্ত ছিলাম, তার বদলে এবার যুক্ত হচ্ছে আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি। উরুগুয়ের একটি প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক কার্ডের ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রেফারি খুব সহজেই কোনো খেলোয়াড়কে সতর্কবার্তা দেওয়া কিংবা মাঠ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানাতে পারছেন। একই সঙ্গে নতুন এই ডিজিটাল কার্ড ব্যবহারের ফলে খেলোয়াড়দের অপরাধ ও শাস্তির বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রীয়ভাবে নথিভুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। বোতাম চাপলে এর পর্দায় হলুদ কিংবা লাল রং ফুটে ওঠে। একই সঙ্গে শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তগুলোও বৈদ্যুতিন পদ্ধতিতে সংরক্ষিত হয়। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘রেফে’ এই প্রযুক্তি তৈরি করেছে। কাগজে নথি তৈরির কাজ কমিয়ে খেলোয়াড়দের শাস্তি, বদলি এবং ম্যাচের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করাই এর উদ্দেশ্য। নির্মাতারা ভবিষ্যতে এই তথ্য উরুগুয়ের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ম্যাচ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির সঙ্গে যুক্ত করতে চান।
ম্যাচটিতে নাসিওনাল দল ৩-০ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে। নতুন এই প্রযুক্তি প্রয়োগের ঘটনাটি ঘটেছিল ম্যাচের ১২তম মিনিটে। রেন্তিস্তাস দলের খেলোয়াড় হুয়ান পাবলো প্লাদাকে হলুদ কার্ড দেখানোর মাধ্যমে এই নতুন ইলেকট্রনিক প্রযুক্তিতে প্রথম সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়। মাঠের রেফারি এই আধুনিক ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে তাকে হলুদ কার্ড দেখান, যা ফুটবল বিশ্বে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। খেলাধুলায় স্বচ্ছতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই প্রযুক্তি নিয়ে আসছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো। মাঠের প্রতিটি কার্ডের হিসাব ও খেলোয়াড়দের ডিসিপ্লিনারি রেকর্ড এখন থেকে আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে এই ইলেকট্রনিক কার্ডের মাধ্যমে। এটি ফুটবলের প্রচলিত নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ম্যাচটিতে ৩-০ গোলে জয় পায় নাসিওনাল। ম্যাচের ১২ মিনিটে রেন্তিস্তাসের খেলোয়াড় হুয়ান পাবলো প্লাদাকে হলুদ কার্ড দেখানোর মধ্য দিয়ে নতুন এই প্রযুক্তিতে প্রথম সতর্কবার্তা পান তিনি। বৃহস্পতিবার উরুগুয়ে কাপের ম্যাচে নাসিওনাল ও রেন্তিস্তাসের লড়াইয়ে প্রচলিত কার্ডের পরিবর্তে মুঠোফোনের আকারের একটি যন্ত্র ব্যবহার করেন রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা।





