দেশকে পুনর্নির্মাণ ও পুনর্গঠনে সরকার গণতন্ত্রের পথ ধরে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আজম খান। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে এখনো বিভিন্ন মহলে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে।
আহমেদ আজম খান বলেন, অতীতেও নানা গোষ্ঠী দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো থেমে নেই এবং বিভিন্ন উপায়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে। দেশের তৈরি পোশাক খাতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, এই শিল্প খাতটি অত্যন্ত ভালোভাবে চলছিল। কিন্তু সুপরিকল্পিতভাবে এই খাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে, যা সবার কাছে পরিষ্কার। গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংসের লক্ষ্য নিয়েই ষড়যন্ত্রকারীরা মাঠে নেমেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলোর কাতারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। দেশে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো ও সমৃদ্ধ অর্থনীতি গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বারবার ষড়যন্ত্রের শিকার হলেও এ দেশের মানুষ সবসময় ঐক্যবদ্ধভাবে তার জবাব দিয়েছে। অতীতে যখনই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, সাধারণ মানুষই তা পুনরুদ্ধারে সামনে দাঁড়িয়েছে।
সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সব ধরনের বাধা অতিক্রমের আহ্বান জানিয়ে আহমেদ আজম খান বলেন, দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে ষড়যন্ত্র মোকাবিলা অপরিহার্য। ৭ নভেম্বরের এই বিশেষ দিনটিকে তিনি দেশকে সম্মিলিতভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার শপথের দিন হিসেবে অভিহিত করেন।





