২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: মাঠের হাওয়া জামায়াতের পক্ষে, দাবি আব্দুল হালিমের

প্রকাশ:

আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণায় জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম দাবি করেছেন, বর্তমানে ভোটের মাঠের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ জামায়াতের অনুকূলে রয়েছে। বুধবার সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ মুখে যা-ই বলুক না কেন, মনে মনে তারা দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু থাকলে এবং ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারলে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন বিপুল ভোটে জয়ী হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বুধবার সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা আব্দুল হালিম এই নির্বাচনকে কেবল ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় বিষয় হিসেবে না দেখে একে জাতীয় গুরুত্বের একটি নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও নির্বাচনী এলাকাটিকে কেন্দ্র করে দল কেন্দ্রীয় নেতাদের পর্যায়ক্রমে উপস্থিতির পাশাপাশি আশপাশের জেলার নেতাকর্মীদেরও তাদের পরিচিতজনদের কাছে ভোট চাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন শুধু ঠাকুরগাঁওয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি এখন জাতীয় বা কেন্দ্রীয় গুরুত্বের নির্বাচন—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের নজর এখন ঠাকুরগাঁওয়ে, আমরা কেন্দ্র থেকে নিয়মিত সব বিষয়ে পর্যবেক্ষণ।

ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া মূল্যবান ভোট কোনোভাবেই যেন ছিনতাই না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। ভোটের দিন দায়িত্ব পালনকারী নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোট গণনার সময় যাতে কোনো ধরনের জালিয়াতি না হয় সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেতাকর্মীদের সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

সমাবেশে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা আমির মাওলানা আব্দুল হাকিম, দিনাজপুর জেলা আমির আনিসুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলমগীর এবং সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন আহমেদসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন