জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচে খুলনা ও ময়মনসিংহের লড়াইয়ে ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখিয়েছেন খুলনার মোহাম্মদ মিঠুন ও নুরুল হাসান সোহান। শুরুতে মাত্র ৭৩ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলকে টেনে তোলেন এই দুই ব্যাটার। তাদের পঞ্চম উইকেটে ১৬৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি দিন শেষে খুলনার সংগ্রহকে ৮ উইকেটে ২৮০ রানে নিয়ে গেছে। নিজের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের ১৭তম সেঞ্চুরি হিসেবে ১১৯ রান করেছেন মিঠুন। অন্যদিকে, দিনের শেষে সোহান অপরাজিত আছেন ১০৪ রান নিয়ে, যা তার প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের ত্রয়োদশ সেঞ্চুরি।
বগুড়ায় বৃষ্টির প্রভাব কাটিয়ে দেরিতে শুরু হওয়া রাজশাহী ও রংপুর ম্যাচে রাজশাহী কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল। দলীয় ৪২ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন এসএম মেহেরব। সপ্তম উইকেটে নিহাদ উজ জামানকে নিয়ে অবিচ্ছিন্ন ৯৩ রানের জুটি গড়ে দলকে ১৫৫ রান পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। দিনশেষে মেহেরব ৮২ রানে এবং নিহাদ ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। তাদের ব্যাটে ১৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে দিন শেষ করে রাজশাহী।
সিলেটের বিপক্ষে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচ খেলতে নেমে দাপট দেখিয়েছেন চট্টগ্রামের বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ। তিনি একাই তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। তার সাথে অফ স্পিনার আশরাফুল হাসানের ৩ উইকেট শিকারের ফলে সিলেট তাদের প্রথম ইনিংসে ২১৮ রানে গুটিয়ে যেতে বাধ্য হয়। সিলেটের পক্ষে আশরাফুল হাসান ৫১ এবং সৈয়দ খালেদ আহমেদ ২৮ রানের ইনিংস খেলে দলের বিপর্যয় কিছুটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
দিনের শেষ ঘণ্টায় ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন চট্টগ্রামের মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদিকুর রহমান। তবে শেষ ওভারে আসাদুল্লাহ আল গালিবের বলে সাদিকুর (২৮) ফিরে যাওয়ায় দিন শেষ হয় কিছুটা অস্বস্তিতে। মাহমুদুল হাসান জয় ৩৫ রানে অপরাজিত আছেন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ঢাকা ও বরিশালের মধ্যকার ম্যাচটিতে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে প্রথম দিন টসও অনুষ্ঠিত হতে পারেনি।





