এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মে-জুন সময়ের জন্য ১৪৮ কোটি ডলারের বেশি দায় পরিশোধের পরেও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলারে রয়েছে। দায় পরিশোধের আগে মঙ্গলবার দিনের শুরুতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার।
আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার, যা আগের দিন সোমবার ছিল ৩৩ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন রিজার্ভ ৩১ বিলিয়নের ঘর অতিক্রম করেছিল। আইএমএফের ঋণের শর্ত মেনে ২০২৩ সালের জুন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করছে, যখন রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া আইএমএফের পদ্ধতি মেনে প্রকৃত ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ বা এনআইআর হিসাব করা হয়, যা সাধারণত প্রকাশ করা হয় না। গতকাল এনআইআর দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯৩ কোটি ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের আগস্টে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল। পরবর্তী সময়ে প্রচুর ডলার বিক্রির কারণে রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়ে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল। তবে অর্থপাচারে কড়াকড়ি এবং হুন্ডি কমে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার ফলে রিজার্ভে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রায় ৪৫ মাস পর গত ২৯ জুন গ্রস রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে এবং গত ২৪ জুন রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের সীমা স্পর্শ করে।





