মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন নিশ্চিত করার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন আবদুল এল সাইদ। এই নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম মুসলিম সিনেটর। নভেম্বরের মিডটার্ম নির্বাচনে তাকে লড়াই করতে হবে রিপাবলিকান পার্টির মাইক রজার্সের সাথে, যিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।
নিজের বিজয় ভাষণে সাইদ তার পরিবারের অভিবাসী হওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাজিনদের মতো আমারও মিশরে ট্যাক্সি ক্যাব ড্রাইভার হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ইতিহাসের দুর্ঘটনায় আমার বাবা ডেট্রয়েটে অভিবাসী হয়ে আসেন আর আমি আমেরিকান হিসেবে পরিচিতি পাই।’
বিশ্লেষকদের মতে, শুধু মুসলিম বা অভিবাসী সন্তান হওয়ার কারণেই তিনি আলোচনায় নেই। বরং তার সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক অঙ্গীকার, যেমন ইসরাইলবিরোধী অবস্থান এবং বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীতে আমেরিকান অর্থায়ন বন্ধের দাবি তাকে ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। বিশেষ করে ইসরাইলি বাহিনীকে অর্থ সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে তিনি সরাসরি সমালোচনা করে একে ‘আমাদের ট্যাক্স ডলারের নিকৃষ্টতম ব্যবহার’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতিমালার সমালোচক হিসেবেও তিনি এমন ভোটারদের সমর্থন পাচ্ছেন, যারা বর্তমান প্রশাসনের কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট।
নিজ দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সমর্থন না পাওয়ায় তাকে ‘আউটসাইডার’ বা বহিরাগত হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রভাবশালী নেতা বার্নি স্যান্ডার্স এবং আলেক্সান্দ্রা ওসারিও-কর্টেজের মতো ব্যক্তিত্বরা তাকে নির্বাচনে সমর্থন দিয়েছেন।





