বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে ইংল্যান্ডের। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে হেরে টানা আরেকটি বড় টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে থ্রি লায়ন্সদের। ম্যাচ শেষে এই পরাজয়ের সম্পূর্ণ দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন কোচ টমাস টুখেল।
সংবাদ সম্মেলনে টুখেল জানান, ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর তার দল স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে ফেলেছিল। আক্রমণাত্মক ফুটবল চালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে লিড ধরে রাখার প্রবণতা দেখা দেয়, যা শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে ফিরে আসার সুযোগ করে দেয়। গর্ডনের গোলের পর প্রায় ৩০ মিনিট বাকি থাকতেই পাঁচ ডিফেন্ডারের রক্ষণে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। টুখেল স্বীকার করেন যে, তার এই বদলগুলো প্রত্যাশিত ফল দেয়নি, কারণ তখন দলের লিড ধরে রাখার চিন্তাই প্রাধান্য পেয়েছিল।
ইংল্যান্ড কোচ বলেন, আমি সিদ্ধান্তের দায় নিচ্ছি। কোচ হিসেবে কঠিন মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। আজ সেগুলো আমাদের পক্ষে কাজ করেনি। ম্যাচের শেষ ১৫-২০ মিনিটে আর্জেন্টিনা খেলার গতি পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। সেই সময় এনজো ফার্নান্দেজের সমতাসূচক গোল এবং যোগ করা সময়ে লাউতারো মার্তিনেজের জয়সূচক গোলে ম্যাচ হাতছাড়া হয় ইংল্যান্ডের।
হতাশার মধ্যেও নিজের খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়িয়ে জার্মান এই কোচ বলেন, এই হার যতই কষ্টের হোক, তরুণ দলটি পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ লড়াই করেছে। এমন অভিজ্ঞতা থেকেই ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা নিতে হবে। এই হারের ফলে ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন আবারও অধরাই রয়ে গেল ইংল্যান্ডের। অন্যদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে স্পেনের বিপক্ষে শিরোপা লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।




