ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে গরুর ঘাস কাটা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ইউপি চেয়ারম্যানসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই আঞ্চলিক সড়কের সরাইল সদর উপজেলার বড্ডাপাড়া এলাকায় এই উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার (৪৮) মাথায় ইটের আঘাতে গুরুতর আহত হন।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গতকাল সকালে, যখন বড্ডাপাড়া এলাকার আলমগীর হোসেন একটি জমিতে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান। এ সময় একই গ্রামের ফারুক মিয়া ও হুমায়ুন মিয়ার সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর স্থানীয়ভাবে একটি সালিস ডাকা হয়। সালিসের একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে পুনরায় কথা-কাটাকাটি শুরু হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই তা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সন্ধ্যা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। এতে স্থানীয় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সরাইল-নাসিরনগর-লাখাই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। রাত আটটার দিকে সরাইল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।





