অর্জিত গণতন্ত্র যেন কোনোভাবেই হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি সংঘাত ও প্রতিশোধের রাজনীতির ধারা পরিহার করে পুরো দেশকে সহনশীলতার রাজনীতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সোমবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রস্তাবিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, বরং আলাপ-আলোচনা এবং সমঝোতার মাধ্যমেই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার অনুযায়ী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে এবং খুব দ্রুতই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে। ঠাকুরগাঁওসহ এই অঞ্চলের মানুষের জন্য এটি একটি আনন্দের দিন। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম সরকারি সফর। দুই দিনের এই সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর আগে রোববার দুপুরে তিনি হেলিকপ্টারযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে পৌঁছান। সেখানে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী তাকে স্বাগত জানানো হয় এবং সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
সফরের প্রথম দিন সার্কিট হাউসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি তার মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এরপর বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও অংশ নেন রাষ্ট্রপতি।
এদিন বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।





