লংমার্চে গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে ১ হাজার করেছে এনসিপি

প্রকাশ:

জনভোগান্তি নিরসন ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চে গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে এক হাজারে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। জ্বালানি সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এনসিপি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে সমন্বয় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলটির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, সরকার জনভোটের রায় বাস্তবায়ন করেনি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল হিসেবে তারা সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরতে জনগণের কাছে যাবেন। তবে সরকারকে পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সময় দেওয়া হচ্ছে, যা ন্যায্যভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। যদি সরকার জনগণের দাবি পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে জনগণই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

লংমার্চের বিস্তারিত তুলে ধরে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, ৫ সেপ্টেম্বর সকাল সাতটায় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চ শুরু হবে। শাপলা চত্বরে পথসভার পর তারা সিদ্ধিরগঞ্জ ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লা, ফেনীর মহিপাল ও মিরসরাই হয়ে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে পৌঁছাবেন। তাঁরা কুমিল্লায় পৌঁছাবেন দুপুর ১২টায়। পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী সড়কের এক পাশ দিয়ে সারিবদ্ধভাবে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে জনভোগান্তি না হয়। লংমার্চের বহরে ৬টি অ্যাম্বুলেন্সও থাকবে।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, পুরো রাস্তায় সরকার ও প্রশাসনকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। লংমার্চে বাধা দিলে জনগণই তার জবাব দেবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও মনিরা মারমিন এবং জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ৫ সেপ্টেম্বরের পর রংপুর, সিলেট ও খুলনায় আরও তিনটি কর্মসূচি পালিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন