বেতন বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নিয়ে যা বললেন জাহেদ উর রহমান

প্রকাশ:

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল ঘোষণার পর মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, বেতন বৃদ্ধি পেলে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, অনেকেই মনে করছেন বেতন অনেক বেড়ে যাবে, তবে বিষয়টি তেমন নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি চাকরিজীবীদের অনেকের ইনক্রিমেন্ট হতে হতে বেতন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তাই নতুন স্কেল কার্যকর হলেও যে বিশাল অঙ্কের অর্থ মানুষের হাতে পৌঁছাবে, বিষয়টি সেরকম নয়। তিনি স্বীকার করেন যে, কিছুটা মূল্যস্ফীতি বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না, তবে সরকারের কাছে ব্যয় নির্বাহের বাজেট রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধবিমান কেনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সামরিক বাহিনীর মধ্যে সম্ভবত বিমান বাহিনীর অবস্থা সবচেয়ে দুর্বল। তার মতে, বর্তমানে ব্যবহৃত মিগ-২৯ বিমানগুলো পুরোপুরি অপারেশনাল নয় এবং এফ-৭ বা জে-৭ বিমানগুলো অনেক আগেই ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও জানান, আধুনিক মাল্টিরোল ফাইটার কেনার ক্ষেত্রে আমেরিকা, ইউরোপ ও চীনের অপশনগুলো বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে চীনের প্রস্তাবটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক বলে মনে করছে সরকার। তিনি দাবি করেন, অন্য দেশের তুলনায় চীনের কাছ থেকে একই ধরনের সুবিধা অনেক কম খরচে, প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খরচে পাওয়া সম্ভব।

জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আমি অনেককে হিসাব করতে দেখেছি, নতুন স্কেল হওয়ার পর তাদের বেতন আসলে কত টাকা বাড়বে। যে কথাটা বলতে চাচ্ছি বেতন অনেক বেশি বেড়ে যাবে, মনে হচ্ছে যে, ১০০% যখন স্কেলের উন্নতি হয়ে যাবে, তখন তার বেতন ডাবল হয়ে যাচ্ছে কথাটা কিন্তু এই রকম না। আমরা কি পয়েন্টটা ধরতে পারছি?

যুদ্ধবিমান কেনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয় দুর্বল অবস্থা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সম্ভবত, যদি আমি সামরিক এক্সপার্ট নই, কিছু খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করি। সবচেয় দুর্বল সম্ভবত বিমান বাহিনী। আমাদের সবচেয়ে আধুনিক যে ফাইটার বলা যায়, সংখ্যায় খুব অল্প, সেটা হলে মিগ-২৯। ওগুলো ঠিক অপারেশনাল না। ওগুলো খুব ভ

শেয়ার করুন