রাজধানীর পৃথক দুটি হত্যা মামলায় সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ও ঝালকাঠি-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। যাত্রাবাড়ী থানার পারভেজ হাওলাদার হত্যা মামলায় নুরুল ইসলাম সুজনকে এবং আদাবর থানার শহীদ ইসহাক জোমাদ্দার হত্যা মামলায় শাহজাহান ওমরকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
রোববার শুনানিকালে আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। যাত্রাবাড়ী থানার এসআই জাকির হোসেন পারভেজ হত্যা মামলায় এবং আদাবর থানার এসআই মহেশ চন্দ্র সিংহ শহীদ ইসহাক জোমাদ্দার হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন এবং পরবর্তীতে তাদের পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন জানান, নুরুল ইসলাম সুজন পাঁচটি মামলায় এবং শাহজাহান ওমর তিনটি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। জামিনের আদেশ কারাগারে পৌঁছানোর পর নতুন করে এই মামলাগুলোতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হলো। এর আগে, ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর নুরুল ইসলাম সুজনকে ঢাকার শ্যামলীর একটি হাসপাতাল থেকে এবং ২১ নভেম্বর শাহজাহান ওমরকে ঝালকাঠির রাজাপুর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় গুলিবর্ষণে নিহত হন পারভেজ হাওলাদার। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর নিহতের মা সেলিনা বেগম মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে, একই দিনে আদাবরের শ্যামলী ক্লাব মাঠ এলাকায় গুলিবর্ষণে নিহত হন ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক জোমাদ্দার। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করতে অনীহা প্রকাশ করায় পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২ জুলাই আদাবর থানার এসআই মো. আশরাফ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।





