৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ:

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন নিহতের পরিবার। মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই ওই বাসায় তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। রোববার বিকেলে নজরুল মোবাইল ফোনে মাসুম বিল্লাহকে দ্রুত বাসায় ডাকেন। সেখানে গিয়ে মাসুম বিল্লাহ তার মেয়ের মরদেহ দেখতে পান। নিহতের বিছানায় কিছু চিরকুট পাওয়া গেছে, যেখানে সম্পর্কের টানাপোড়েন ও হতাশার কথা উঠে এসেছে।

মরিয়মকে হারিয়ে শোকাহত বাবা এজাহারে উল্লেখ করেছেন, গত জুনে নজরুলের গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের প্ররোচনায় এই বিয়ে হয়েছিল। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছিল। এদিকে গত জুলাই মাসে মরিয়মের সঙ্গে নজরুলের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে আলোচনা তৈরি হয়। তখন জেলা জামায়াতে ইসলামীর মিডিয়া সেল ভিডিওটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির কারসাজি বলে দাবি করলেও, পরবর্তীতে ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো তা নাকচ করে দেয়। নজরুল নিজেই পরে স্বীকার করেন যে, ভিডিওর তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং বিষয়টি প্রথম স্ত্রী জানতেন।

ভিডিও ফাঁসের জের ধরে গত ২২শে জুলাই নজরুলের গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানকে মারধর ও হত্যার চেষ্টার অভিযোগে পল্লবী থানায় মামলা হয়। ওই ঘটনায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন নজরুল। এসব বিতর্ক ও সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে। গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর তা সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। চাকরির আরও তথ্য: তিনি এজাহারে আরও লিখেছেন, লাশ উদ্ধারের সময় মেয়ের বিছানার ওপরে তার লেখা ‘সুইসাইড নোট’ দেখতে পান। চাকরির আরও তথ্য: একটি চিরকুটে লেখা আছে, ‘শুধু মায়ায় পড়েছি বলে বারবার তোমার কাছে নত হই…তা না হলে যতটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই…। চাকরির আরও তথ্য: আরেকটিতে লেখা, ‘আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে, জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। চাকরির আরও তথ্য: জিতবইবা কেমনে, যুদ্ধের শেষ প্রান্তে যেয়ে দেখি তুমিতো ছিলে বিপক্ষের সেনাপতি।’ ‘আমি হেরেছি তুমি জিতেছো, কারণ আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। চাকরির আরও তথ্য: আমি ধ্বংসের শেষ দাঁড়িয়েও মুখে হাসি রেখেছি। চাকরির আরও তথ্য: ভেবে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ।’—এটি লেখেন আরেকটি চিরকুটে। চাকরির আরও তথ্য: একটিতে আছে, ‘সে ছিলো অন্য নারীর স্বামী। চাকরির আরও তথ্য: কাগজে কলমে অধিকার ছিল তার বউ এর…।

শেয়ার করুন