ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শেষ ১৬-র লড়াইয়ে পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী একমাত্র গোলটি এসেছে ইনজুরি টাইমের ৯০+১ মিনিটে মিকেল মেরিনোর পা থেকে। এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বিদায় নিলেন ৪১ বছর বয়সী পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য বজায় রাখে স্পেন। রদ্রির নেতৃত্বে স্পেনের মাঝমাঠ প্রথমার্ধে বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এবং রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোলবঞ্চিত থাকতে হয় তাদের। মিকেল ওয়ারজাবালের ওয়ান-টু-ওয়ান শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আলেক্স বােনার একটি বাঁকানো শটও অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন কস্তা। অন্যদিকে, প্রথমার্ধে পর্তুগালের সেরা সুযোগটি আসে ৩৯ মিনিটে, যখন নুনো মেন্দেসের জোরালো শট পেদ্রো পোরোর পায়ে লেগে ক্রসবারে আঘাত করে।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় পর্তুগাল, কারণ লামিন ইয়ামালের শট ব্লক করতে গিয়ে ইনজুরিতে পড়ে মাঠ ছাড়তে হয় নুনো মেন্দেসকে। এরপর থেকেই পর্তুগাল রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে। পুরো ম্যাচে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছিলেন অনেকটাই নিষ্প্রভ; স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমনের বরাবর একটি শট নেয়া ছাড়া ম্যাচে তার তেমন কোনো প্রভাব দেখা যায়নি।
ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াচ্ছিল, তখনই ফেররান তোরেসের বাড়ানো নিখুঁত থ্রু-বল থেকে বক্সে ঢুকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে স্পেনের জয় নিশ্চিত করেন মেরিনো। এর আগে প্রথমার্ধে স্পেন ছয়টি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখতে পারলেও পর্তুগাল তিনটির মধ্যে লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল একটি। লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেন এখন কোয়ার্টার ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে।
এই ম্যাচের জন্য পর্তুগাল একাদশে রবার্তো মার্তিনেজ একটি পরিবর্তন এনেছিলেন, যেখানে রাফায়েল লিয়াওর জায়গায় জোয়াও নেভেসকে দলে নেয়া হয়। পর্তুগাল একাদশে ছিলেন দিয়োগো কস্তা, জোয়াও কানসেলো, রেনাতো ভেইগা, রুবেন দিয়াস, নুনো মেন্দেস, জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া, পেদ্রো নেতো, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও ফেলিক্স ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। অন্যদিকে, স্পেন একাদশে ছিলেন উনাই সিমন, মার্ক কুকুরেয়া, এমেরিক লাপোর্ত, পাউ কুবার্সি, পেদ্রো পোরো, রদ্রি, পেদ্রি, আলেক্স বায়েনা, দানি ওলমো, লামিন ইয়ামাল ও মিকেল ওয়ারজাবাল।





