নেপালে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৫৪৭, মর্গে জায়গা সংকট

প্রকাশ:

নেপালের ভোটেকোশী নদীতে আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় মৃতদেহ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নুয়াকোট, ধাদিঙ ও নওয়ালপরাসির হাসপাতালগুলোর মর্গে জায়গা না হওয়ায় অনেক লাশ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে স্থানান্তর করতে হয়েছে।

সবচেয়ে সংকটাপন্ন চিতওয়ান জেলায় উদ্ধার হওয়া লাশের সংখ্যা হাসপাতালের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। এ অবস্থায় জেলার ভরতপুরে একটি অস্থায়ী লাশ সংরক্ষণ কেন্দ্র প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) চিতওয়ানের মুখ্য জেলা কর্মকর্তা গণেশ আরিয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

মুখ্য জেলা কর্মকর্তা গণেশ আরিয়াল জানান, চিতওয়ানের হাসপাতালগুলোর মর্গে সাধারণত ৩০ থেকে ৫০টি লাশ রাখা সম্ভব হয়। এই চাপ কমাতেই ২৫০টি লাশ ধারণক্ষমতাসম্পন্ন নতুন এই কেন্দ্রটি চালু করা হচ্ছে। যদি এই ধারণক্ষমতাও শেষ হয়ে যায়, তবে কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত বিকল্প হিসেবে দেবঘাটের বৈদ্যুতিক শ্মশান ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে।

এদিকে, পোখারার হাসপাতালগুলো থেকেও একই ধরনের সংকটের কথা জানানো হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে লাশ আসতে শুরু করায় সেখানেও মর্গের জায়গা দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। বন্যায় ভেসে যাওয়া লাশগুলো নদীর ভাটিতে ভেসে উঠছে এবং রাসুয়া ও নুয়াকোট থেকে নিখোঁজ হওয়া অনেক লাশ চিতওয়ান, তানাহুন ও নওয়ালপরাসি এলাকায় উদ্ধার করা হচ্ছে। শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারই ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর চিতওয়ান অংশে ১৩৭টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

চিতওয়ানের হাসপাতালগুলোর মর্গে একবারে ৩০-৫০টি লাশ রাখা যায়। এই চাপ কমাতেই অস্থায়ী কেন্দ্রটি চালু করা হচ্ছে, যেখানে ২৫০টি লাশ রাখা যাবে।

মুখ্য জেলা কর্মকর্তা গণেশ আরিয়াল বলেন, চিতওয়ানের হাসপাতালগুলোর মর্গে একবারে ৩০-৫০টি লাশ রাখা যায়। এই চাপ কমাতেই অস্থায়ী কেন্দ্রটি চালু করা হচ্ছে, যেখানে ২৫০টি লাশ রাখা যাবে।

শেয়ার করুন