৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন তথ্য: দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হচ্ছেন আসাদ আলম

প্রকাশ:

দিল্লিতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের নিয়োগ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই সম্মতিপত্র বা ‘অ্যাগ্রিমেন্ট’ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নতুন হাইকমিশনার নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত হলো এবং এতদিনের সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল।

কূটনীতিক আসাদ আলম সিয়াম বর্তমান হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহর স্থলাভিষিক্ত হবেন। রিয়াজ হামিদুল্লাহকে পরবর্তী দায়িত্ব হিসেবে জেনেভায় জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্যমতে, ভারত সরকার দিনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় তাদের নতুন দূত হিসেবে পাঠানোর পর, বাংলাদেশও তাদের জ্যেষ্ঠতম কূটনীতিককে দিল্লিতে পাঠানোর মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরায় গতিশীল করার উদ্যোগ নিয়েছে।

১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগদান করা আসাদ আলম সিয়াম অত্যন্ত অভিজ্ঞ একজন কূটনীতিক। পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনে তিনি ফিলিপাইন ও অস্ট্রিয়াতে রাষ্ট্রদূত এবং ইতালির মিলানে কনসাল জেনারেল ছিলেন। এছাড়াও থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাজ্যে কূটনীতিক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালে তিনি ইউরোপ ও ইইউ উইংয়ের মহাপরিচালক, প্রটোকল প্রধান এবং পররাষ্ট্র সচিবের দপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন।

২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কে টানাপড়েন সৃষ্টি হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দুই দেশ পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ভারতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান এখনও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি অন্যতম অস্বস্তির জায়গা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চাকরির আরও তথ্য: এর মাধ্যমে নতুন হাইকমিশনারের নিয়োগ আটকে থাকা নিয়ে তৈরি হওয়া যাবতীয় গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যদিও ভারতে শেখ হাসিনার উপস্থিতি ঢাকার জন্য একটি বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেয়ার করুন