মৌসুমের শুরুতে গোলখরা নিয়ে বার্সেলোনা সমর্থকদের মাঝে যে দুশ্চিন্তা ছিল, তা দীর্ঘস্থায়ী হতে দেননি স্প্যানিশ তরুণ ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল। রায়ো ভ্যালেকানোর বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর সর্বশেষ ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষেও একই কীর্তি গড়েছেন তিনি। এই পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠে তার চেনা প্রাণবন্ত হাসিও ফিরে এসেছে, যা বার্সার আক্রমণভাগে নতুন করে আত্মবিশ্বাস ও স্বস্তি এনে দিয়েছে।
লা লিগার নতুন মৌসুমের শুরুটা বার্সেলোনার জন্য দারুণ হলেও, প্রথম দুই ম্যাচে কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট না পাওয়ায় ইয়ামালকে নিয়ে কিছুটা সংশয় তৈরি হয়েছিল। একজন উদীয়মান তারকার ক্ষেত্রে এটি আলোচনার খোরাক জোগানোর জন্য যথেষ্ট ছিল। তবে রায়ো ভ্যালেকানোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি সেই সংশয় দূর করেন এবং ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষেও নিজের ছন্দ বজায় রাখেন।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই ফারমিন লোপেসের বাড়ানো বল থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন ইয়ামাল। এরপর লোপেসের সহায়তায় আরও একবার বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। তবে ৮৪ মিনিটে আবারও গোল করে দলের ৫-০ ব্যবধানের বিশাল জয় নিশ্চিত করেন তিনি। এই ম্যাচে ইয়ামাল ছাড়াও গোল করেছেন রাফিনিয়া, ফেরমিন লোপেজ ও পেদ্রি।
আন্তর্জাতিক ফুটবলের সাফল্য ও সাম্প্রতিক নানা টানাপোড়েনের পর মৌসুমের শুরুতে ইয়ামালের চোখেমুখে কিছুটা বিষণ্নতা ও বিমর্ষ ভাব ছিল। সমর্থকরা তার গোলের পাশাপাশি তাকে আবারও হাসিখুশি দেখতে চেয়েছিল, যা শেষ দুই ম্যাচের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি পূরণ করেছেন।





