পুলিশি হেনস্তা ভুলে যাওয়ার চেষ্টায় ক্রিকেটার নাঈম হাসান, রয়েছেন বিশ্রামে

প্রকাশ:

পুলিশি হেনস্তার ঘটনা ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। চিকিৎসকদের পরামর্শে বাসায় বিশ্রামে রয়েছেন তিনি। পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়স্বজনেরাও নাঈমকে কাউন্সেলিং করে তাঁর বিষণ্নতা কাটানোর চেষ্টায় রয়েছেন। নাঈম হাসানের পরিবারের সদস্যরা প্রথম আলোকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নাঈম হাসানের বড় ভাই কামরুল আলম আজ রোববার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিসিবির দুই সদস্যের একটি চিকিৎসক দল শনিবার সন্ধ্যায় নাঈমকে দেখেছেন। তাঁরা পরামর্শ দিয়েছেন যাতে নাঈমকে একা না রাখি। পুলিশি নির্যাতন ও হেনস্তার বিষয়টি যাতে নাঈম ভুলে থাকতে পারে, আমরা পরিবারের লোকজন ও আত্মীয়স্বজনেরা বিষয়টি তাঁকে নানাভাবে বোঝাচ্ছি। তবে তাঁর বিষণ্নতা কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে।’ কামরুল আলম বলেন, ‘নাঈম গতকাল রাতে ঘুমিয়েছেন। আজ সকালে উঠে নাশতা করে আবার ঘুমিয়ে পড়েছেন।’

নাঈম হাসানকে হেনস্তার ঘটনায় খুলশী থানার ওসিকে প্রত্যাহার করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন নাঈমের ভাই কামরুল আলম। তিনি বলেন, ‘যারা আমার ভাইয়ের ওপর হামলা-নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’

গত শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। নাঈম হাসান সাংবাদিকদের জানান, রাতের ফ্লাইটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নামেন তিনি। সেখান থেকে অটোরিকশায় বাসার উদ্দেশে রওনা হন। এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় লালখান বাজার এলাকায় পুলিশ অটোরিকশাটিকে থামার সংকেত দেয়। এরপর চালকের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে নেয়। পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে নাঈম হাসানকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে মারধর করেন খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম ও পুলিশের সোর্স সোহেল। একপর্যায়ে একটি অটোরিকশায় করে নাঈমকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও তাঁকে হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে থানা থেকে ছাড়া পান নাঈম।

শেয়ার করুন