৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফর: ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ

প্রকাশ:

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন। এ সময় তিনি স্পষ্টভাবে জানান, এবারের সফরের মূল লক্ষ্য জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দেওয়া, তাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা কোনো দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সুযোগ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সফরে বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরবেন। তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ রূপকল্প, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের রূপরেখা বিশ্বনেতাদের সামনে উপস্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী বৃহস্পতিবার তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নিজের ভাষণ উপস্থাপন করবেন।

মাহ্দী আমিন এই সফরকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি এখানে এসেছেন। তিনি আরও যোগ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মতোই দেশপ্রেম ও ভিশনকে ধারণ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বার্থ ও অধিকারের কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন।

সফরের কলেবর সম্পর্কে মুখপাত্র জানান, অতীতের সনাতনী ধারা ভেঙে প্রধানমন্ত্রী এবার অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সফরে এসেছেন। আনুষ্ঠানিক বহরে মাত্র ৩৫ জন সদস্য রয়েছেন, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন কেবল অত্যাবশ্যকীয় নিরাপত্তা কর্মী, মিডিয়া সদস্য ও ব্যক্তিগত স্টাফ। সফরের সঙ্গী হিসেবে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। যাতায়াতের সময় বাদ দিয়ে তিনি মূলত চার কর্মদিবস নিউইয়র্কে অবস্থান করবেন এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ বহুপাক্ষিক ও দ্বিপাক্ষিক সভায় অংশ নেবেন।

মঙ্গলবার থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক সফর শুরু হচ্ছে। সকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে ‘ওয়েলকাম ব্রেকফাস্ট রিসেপশন’-এ যোগ দেওয়ার পর তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশ নেবেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন