‘জিন্স পরা নারীরা হিজড়া সন্তানের জন্ম দেন’

যেসব নারীরা পুরুষের মতো জিন্স ও শার্ট পরেন তারা হিজড়া সন্তানের জন্ম দেন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের কেরালাম কাসারাগড়ের রজিত কুমার নামের এক অধ্যাপক। শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে শ্রেণীকক্ষে তিনি এক মন্তব্য করেন করেন বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই।

উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ওই অধ্যাপক বলেন, যেসব নারী জিন্স, শার্ট ইত্যাদি পুরুষ পোশাক পরেন তারা হিজড়া সন্তান প্রসব করেন। শুধুমাত্র কেরালাতেই তিন লাখেরও বেশি হিজড়া রয়েছে বলেও দাবি করেন ওই অধ্যাপক।

তিনি আরও বলেন, যেসব দম্পতির জীবনযাপন নারী, পুরুষ বিভাজন মেনে তারাই শুধু ভালো সন্তানের জন্ম দিতে পারে। এছাড়া অসৎ চরিত্রের বাবা মায়ের সন্তান অটিস্টিক বা সেরিব্রাল পালসির মতো অসুখে ভোগে।

এর আগে স্থানীয় তিরুঅনন্তপুরে মেয়েদের এক কলেজেও এমন দাবি করেছিলেন তিনি। তবে তার এমন মন্তব্যের পর বিপুল সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

আজ পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে চীনা মহাকাশ স্টেশন!

আজ সোমবারের মধ্যেই ভূপৃষ্ঠে এসে আছড়ে পড়বে অকেজো হয়ে পড়া চীনা মহাকাশ স্টেশন তিয়ানগং-১’র ধ্বংসাবশেষ । সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়েছে এবং দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের ওপরে আছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

চীনা ম্যানড স্পেস জানিয়েছে, সোমবার গ্রীনিজ মান সময় দশমিক ১৫ টায় এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুন:প্রবেশ করেছে। তারা জানায়, মহাকাশ স্টেশনটি ৪৩ ডিগ্রি উত্তর থেকে ৪৩ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ বরাবর পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে। প্রকাণ্ড এই মহাকাশ যানটি ঘণ্টায় ২৬ হাজার কিলোমিটার বেগে ছুটে আসছে।

এদিকে, ইউরোপ ভিত্তিক স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) বলছে, আজ সোমবারের মধ্যে এই মহাকাশ স্টেশনটি আছড়ে পড়তে পারে। এটি যদি পৃথিবীতে আঘাতও করে তাহলে বড়সড় ক্ষতি হবে না। মহাকাশ স্টেশনটি বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে সংঘর্ষে অনেকটাই জ্বলে-পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে তিয়ানগং-১ নামের যানটি উৎক্ষেপণ করেছিল চীন। এর কয়েকবছর পর ৮ হাজার কেজি ওজনের স্টেশনটি বিকল হয়ে যায়। পরে একে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে চীন। তখন থেকেই এটি মহাকাশে ভাসমান অবস্থায় ছুটে বেড়াচ্ছে। প্রায় সাত বছর পর এটি এখন ধ্বংস হয়ে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। বায়ুমণ্ডলে ঢোকার সাথে সাথে এটিতে আগুন ধরে যাবে। কিছু ধ্বংসাবশেষ মাটিতে এসে পড়বে।

সূত্র: বিবিসি, সিনহুয়া

এ কেমন দরজা !! কাছে গেলে ১ মিনিটেই মৃত্যু অবধারিত !!

দুনিয়াতে অনেক রহস্যময় স্থান রয়েছে।

এমনই একটি জায়গা হলো- গ্রিসের এক প্রাচীন নিদর্শন। জায়গাটি দর্শনীয় তো বটেই। তবে তার বেশি কাছে গেলেই ভয়ানক বিপদ। কেননা, মৃত্যুর দুয়ারে টেনে নিয়ে যায় মানুষকে। বহু বছর ধরে তাই এই জায়গার ধারে-কাছেও যায় না কেউ। অবশেষে সেই রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে।

এই জায়গাটি ‘Hades’ Gate’ নামে পরিচিত। বর্তমানে এটি তুরস্কের ওয়েস্টার্ন ডেনিজিল প্রদেশে অবস্থিত। জানা গেছে, এটির ধারে-কাছে যেকোনো মানুষ থেকে পশুপাখি যেই যাক তার মৃত্যু হয়। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেছেন, এটা শুধু গল্পকথা নয়। এটা আসলেই সত্যি।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা প্রত্নতত্ত্বের উপর লেখা একটি জার্নালে জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে সমানে বিপুল পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হচ্ছে। আজও পর্যন্ত একইভাবেই বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত গ্যাস। আর তাই সেখানে গেলেই মৃত্যু অবধারিত।

তবে কোনদিকে সূর্য উঠছে আর কোনদিকে হাওয়া বইছে, তার উপর নির্ভর করে কোনদিক থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের হবে। এখানে রাতে এতো বেশি পরিমাণ গ্যাস বের হয় যে, এক মিনিটের মধ্যে মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

প্রাচীন গল্পকথা শোনা যায়, এই জায়গায় বহু মানুষ, পশু, পাখির মৃত্যু হয়েছে।

মেয়ে অপহরণ বাবার সামনে থেকেই !! (ভিডিও সহ)

সম্প্রতি ভারতের মুম্বাইতে এমন ঘটনা ঘটেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মিরর মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ভিডিও ফুটেজে শিরিন ফাতেমা নামের ওই শিশুকে স্পষ্টই চুরি যেতে দেখা যায়।

ফাতেমা খেলার ফাঁকে দোকানের বাইরে আসতেই পথচারি এক যুবক তাকে কোলে করে নিয়ে যায়। পুলিশ অবশ্য অভিযোগ পাওয়ার ৬ ঘণ্টার মধ্যেই ফাতেমাকে উদ্ধার করে। শিশুটিকে চুরি করার অভিযোগে সন্দীপ পারব নামের ওই যুবককেও আটক করা হয়েছে।

অবশ্য ওই যুবক কেন ফাতেমাকে নিয়ে গিয়েছিল তা পরিষ্কার নয়। সন্দীপের বিরুদ্ধে কি ধরনের অভিযোগ তোলা হবে সে সম্পর্কেও কিছু জানা যায়নি।

দেখু ন ভিডিও … 

‘সিরিয়ায় অভিযানের কারণে তুরস্ক-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘর্ষ বেধে যেতে পারে’

সিরিয়ায় মার্কিন বাহিনীর সাথে সংঘাত এড়িয়ে চলতে তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে ফোন করে এ আহ্বান জানান।

ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সিরিয়ায় চলমান তুর্কি অভিযানের কারণে দুই দেশের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ বেধে যেতে পারে। মার্কিন বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ বাধতে পারে এমন যে কোনো পদক্ষেপ এড়িয়ে চলতে তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানান ট্রাম্প।
সীমান্তের কূটকৌশল ব্যর্থ করবে তুরস্ক : এরদোগান

তিনি বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা যাতে আর না বাড়ে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলেছেন। এ কারণে সেনা অভিযান সীমিত করা দরকার বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তুরস্ক যখন কুর্দি গেরিলা নিয়ন্ত্রিত আফরিনের পর মানবিজেও অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ঠিক তখনি এ আহ্বান জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

গত শনিবার থেকে আফরিনে সেনা অভিযান চালাচ্ছে তুরস্ক। তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ওয়াইপিজি গেরিলাদের নির্মূলের লক্ষ্যে আফরিনে অভিযান চালানো হচ্ছে।

সিরিয়ায় প্রকাশ্যে অন্তত দুই হাজার মার্কিন সেনা ও উপদেষ্টা মোতায়েন রয়েছে। সিরিয়ার সরকারের অনুমতি ছাড়াই ওই সব মার্কিন সেনা সেখানে অবস্থান করছে এবং সরকার উৎখাতের জন্য সব ধরনের অন্যায় তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

আবারো আল্লাহর গজবঃ চরম সঙ্কটে মিয়ানমার!

মিয়ানমারের বাগো অঞ্চলের আরো দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। দেশটির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় আয়িয়াওয়াদি ও মধ্যঞ্চলীয় মগওয়ে অঞ্চলের মন্ত্রীরা পদত্যাগের পর তারা সরে দাঁড়ালেন। বৃহস্পতিবার রাতে প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়, পদত্যাগ অনুমোদন করা দুই মন্ত্রী হচ্ছেন প্রাকৃতিক সম্পদ, বন ও পরিবেশ

সংরক্ষণবিষয়ক মন্ত্রী ইউ কিয়াও মিন সান এবং উন্নয়ন ও সামাজিক বিষয়ক মন্ত্রী ইউ মংসং লইন।

এ নিয়ে পদত্যাগ করা মন্ত্রীর সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়ালো। এদের মধ্যে আয়িয়াওয়াদি অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি)

নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন সরকার দেশটির ১৪টি অঞ্চলিক বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের নিয়োগ দিয়েছে।

ভূমিকম্পের আঘাতে কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

মিয়ানমারের বাগো অঞ্চলে শুক্রবার মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.০। তবে এতে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় একথা জানায়। খবর সিনহুয়ার।

খবরে বলা হয়, ভূমিকম্পটি বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতের পর স্থানীয় সময় রাত ১২ টা ৫৬ মিনিটে আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল বাগো অঞ্চলের ফিউ’র প্রায় ২৮ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে।

মিয়ানমার ভূমিকম্প বিষয়ক কমিটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, সেখানে মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে পরপর তিনবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক উপমন্ত্রী উ সোয়ে অং সিনহুয়াকে বলেন, এতে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমারে প্রায় ৭০ বার ভূমিকম্প আঘাত হানে।

মিয়ানমারের আশ্রয়শিবিরে বর্তমানে অবস্থানরত বা আটকে থাকা ৬০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুর অবস্থা উদ্বেগজনক। মধ্য রাখাইনের ময়লা ও আবর্জনাপূর্ণ স্থানে অবস্থিত এসব রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে অবস্থানরত শিশুরা ভয়ানক উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে দিনাতিপাত করছে।
ইউনিসেফের সহযোগীরা ওই ক্যাম্পে এখন পর্যন্ত ২০ জনের মতো পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া শিশুর সন্ধান পেয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিবার-বিচ্ছিন্ন শিশুদের সংখ্যা কমপে ১০০ জনের বেশি হবে। এদের বেশির ভাগই আবার উত্তর রাখাইনে আটকে আছে। যেখানে ইউনিসেফের সহযোগীরা নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রবেশ করতে পারছে না।

প্রায় এক মাসব্যাপী মিয়ানমার সফরের ভিত্তিতে এসব কথা সাংবাদিকদের বলেন ইউনিসেফের মুখপাত্র মারিক্সি মেরকাডো। তিনি রাখাইনের পরিস্থিতির ভয়াবহ চিত্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, ২৫ আগস্টের আগে ইউনিসেফ রাখাইনের ৪৮০০ অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুকে সেবা দিচ্ছিল। তাদের অপুষ্টির মাত্রা উদ্বেগজনক। সহিংস পরিস্থিতির পর থেকে সেসব শিশুকে আর সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় তাদের জীবন হুমকির মুখে রয়েছে। মেরকাডো আরো বলেন, লুটপাট, ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রবেশ নিষেধাজ্ঞার কারণে আমাদের বহিঃবিভাগীয় সেবা প্রদানের ১২টি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। জাতিসঙ্ঘের সাহায্য প্রদানকারী সংস্থাগুলোর উত্তর রাখাইনে প্রবেশ করতে না পারার ঘটনাকে তিনি ‘সমস্যার সৃষ্টিকারক’ বলে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্বের চোখ বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া ছয় লাখ ৫৫ হাজার রোহিঙ্গার দিকে; কিন্তু মিয়ানমারে আটকে থাকা ৬০ হাজার শিশুর দিকে কারো চোখ নেই। তাদের কথা সবাই যেন ভুলে গেছে। তারা আটকে আছে মধ্য রাখাইনের পূতিগন্ধময় আশ্রয়কেন্দ্রে। মিয়ানমার সরকার ও রাখাইনের কর্তৃপরে সাথে মিলে রাখাইনের শিশুদের মানবিক সহায়তা দিতে আগ্রহী ইউনিসেফ। তবে এ জন্য রাখাইনে অবাধ প্রবেশাধিকার থাকতে হবে। মিয়ানমার সফরে নিজের দেখা দু’টি নিকৃষ্ট আশ্রয়শিবিরের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে ওই মুখপাত্র বলেন, এর মধ্যে একটি হচ্ছে ‘পাউকটাও টাউনশিপ’।

তিনি বলেন, ৪-৫ ঘণ্টার বোট যাত্রায় সেখানে পৌঁছুতে হয়। পৌঁছানোর পরে সবার আগে আপনার যা অনুভূত হবে, তা হলো নাড়িভুঁড়ি উল্টে আসা দুর্গন্ধ। ক্যাম্পের কিছু অংশ বস্তুতই নর্দমা। পুরো ক্যাম্প নোংরা আবর্জনাপূর্ণ। সেখানে শিশুরা খালি পায়ে কাদামাটি এবং ময়লার ভেতর দিয়ে হেঁটে বেড়ায়। ওই ক্যাম্পের এক পরিচালক শুধু ডিসেম্বরের প্রথম ১৮ দিনের মধ্যেই আটজন শিশুর মৃত্যুর কথা জানান। ওই শিশুদের সবার বয়স তিন থেকে ১০ বছরের মধ্যে।

এ ছাড়া মিস মেরকাডো রাখাইনের রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরাজমান তীব্র ভীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি একটি পরিবারের কাছ থেকে জানতে পারি যে, তারা তাদের শিশুকে এন্সিফালিটিস রোগের টিকা দেননি, কারণ টিকাদানের কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ছিল মিয়ানমারের নিরাপত্তাবাহিনীর কর্মকর্তারা।

অন্য দিকে, সরকারি কর্মকর্তারা বলছে, নিরাপত্তা ছাড়া রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে যেতে সাহস পাচ্ছেন না তারা। সব কিছু মিলিয়ে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, শিশুরা সেবা বঞ্চিত হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে মিস মিরকাডো বলেন, রোহিঙ্গা শিশুদের সঙ্কট নিরসনে প্রয়োজন রাজনৈতিক সমাধান। প্রয়োজন নাগরিকত্ব ও আইনি পরিচয়। উদ্ভূত এই সঙ্ঘাতমূলক পরিস্থিতিতে সর্বপ্রথমে প্রয়োজন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে এসব শিশুকে শিশু হিসেবে পরিগণিত করা। তাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সুযোগ নিশ্চিত করে তাদেরকে সুস্থভাবে বড় হতে দেয়া। আর এর সুনিশ্চিত করণে ইউনিসেফ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিজ নিজ প্রভাব কাজে লাগিয়ে শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানান। ইউএন নিউজ।

আবারও নতুন বিপদ হানা দিল মালয়েশিয়া প্রবাসীদের জীবনে -বিস্তারিত !!

কলিং ভিসায়’ মালয়েশিয়া যাওয়ার পরও কোম্পানি থেকে বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।উল্টো বেতন, ওভারটাইম চাওয়ার অপরাধে শ্রমিকদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন ও সহ্য করতে হয়। জানা যায় মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে এমন অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না অভিযোগকারীরা।

বাংলাদেশের উত্তরের একটি জেলা গাইবান্ধা থেকে ১০ বছর আগে মালয়েশিয়ায় আসেন তোফাজ্জল হোসেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসায় আসা অনেকেরই অবস্থা এমন। অনেক কোম্পানি ঠিক মতো বেতন, ওভারটাইম দিচ্ছে না। রয়েছে আবাসন সমস্যাও।

তোফাজ্জল হোসেন আরো বলেন, আমার এক আত্মীয় বাংলাদেশ থেকে কলিং ভিসায় মালয়েশিয়ার একটি কোম্পানিতে এসেছেন প্রায় তিন মাস হলো। নিয়মিত কাজও করছেন।কিন্তু কোম্পানি তাদের এক দিনেরও বেতন দিচ্ছে না। কোম্পানি থেকে বেরও হতে দিচ্ছে না।

বেতন না দেয়ার কারণের বিষয়ে সুপারভাইজারেরা জানান, সময় হলে বেতন পাবে তোমরা। এমন কথার প্রতিবাদ করলে তখন তাদের মারধর করা হয়। জমিজমা বিক্রি আর ধারদেনা করে তারা এ দেশে এসেছে। যদি বেতনই না পায়, তাহলে কেন কাজ করবে?

তাছাড়া মালয়েশিয়ায় বসবাসরত আরেকজন বাংলাদেশি শাহিন ইসলাম জানান, মালয়েশিয়া সরকার হঠাৎ করেই কলিং ভিসাও কমিয়ে দিয়েছে। কারণ কী তা জানতে পারিনি। তবে ইদানীং কলিংয়ে আসা শ্রমিকদের মধ্যে অনেকেই নানা সমস্যায় আছেন বলে শুনেছি। এর মধ্যে আবাসন সমস্যা বেশি।

২০১৭ সালের ১০ মার্চ মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশকে সোর্স কান্ট্রির মর্যাদা দিয়ে শ্রমিক আমদানি শুরু করে। এর পর থেকেই কলিং ভিসায় প্রায় ৬০ হাজার শ্রমিক মালয়েশিয়ায় পৌঁছে কাজ শুরু করেন। বাকি চাহিদাপত্র যাচাই শেষে শিগগিরই আরো কয়েক হাজার শ্রমিক দেশটিতে পাড়ি জমানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রার নেতারা জানান।

জানা গেছে নতুন কলিং পদ্ধতিতে শ্রমিক যাওয়ার পর বেশির ভাগ শ্রমিকের থাকার সমস্যা হচ্ছে। কোনো কোনো কোম্পানি লেভির নামে শ্রমিকদের বেতন থেকেই টাকা কেটে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

(প্রবাস ডেস্ক, তথ্যসূত্র : ভয়েস বাংলা)

বাবরি মসজিদ ভাঙার প্রায়শ্চিত্তে ১০০ মসজিদ মেরামত করতে চান সেই বলবীর সিং…

২৫ বছর আগে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের মাথায় উঠে শাবলের ঘা মেরেছিলেন তিনি। এখন লম্বা দাড়ি রেখে তিনি মৌলবি। ভেঙে পড়া শ’খানেক মসজিদ সারাতে চান তিনি। যেন প্রায়শ্চিত্ত! খবর ইন্ডিয়া টাইমস ও আনন্দ বাজারের।

এক সময় হিন্দুত্ববাদী শিবসেনার সক্রিয় কর্মী বলবীর সিংহ এখন হয়ে গিয়েছেন মুহাম্মদ আমির। আল্লার নাম জপেন সব সময়। ভোরে ফজরের আজান দেন নিয়মিত।

বাবরির মাথায় শাবলের ঘা দেওয়ার পর সব খুইয়েছিলেন বলবীর। বাবা বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিলেন। না, স্ত্রীও সেই সময় তাঁর হাত ধরে বেরিয়ে আসেননি। বাবার মৃত্যুর পর বাড়ি ফিরে শুনেছিলেন, বাবা নাকি বলে গিয়েছিলেন, তাঁর দ্বিতীয় সন্তানের (বলবীর) মুখ যেন বাড়ির কেউ আর না দেখেন। এমনকী, বলবীরকে যেন তাঁর বাবার মুখাগ্নিও করতে না দেওয়া হয়।

বদলের আরেক নাম যোগেন্দ্র পাল। বলবীরের বন্ধু। ২৫ বছর আগে যিনি বলবীরের সঙ্গেই উঠেছিলেন বাবরির মাথায়। শাবলের ঘায়ে ভেঙেছিলেন মসজিদ। বহু দিন আগেই যিনি হয়ে গিয়েছেন পুরোদস্তুর মুসলিম।

এই বদলে যাওয়াটা সম্ভব হল কী ভাবে?

বলবীর বলছেন, সেটাই স্বাভাবিক ছিল। কারণ, তার পরিবার কোনও দিনই উগ্র হিন্দু ছিলেন না। ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান আর ইংরেজি, এই তিনটি বিষয়ে এমএ ডিগ্রি পাওয়া বলবীর তার মা, বাবা, ভাই, বোনদের নিয়ে ছোটবেলায় থাকতেন পানিপথের কাছে খুব ছোট্ট একটা গ্রামে। বলবীরের বয়স যখন ১০, তখন তিনি ও তার ভাইদের পড়াশোনার জন্য বলবীরের বাবা দৌলতরাম তাদের নিয়ে চলে যান পানিপথে।

বলবীরের কথায়, ‘আমার বাবা বরাবরই গাঁন্ধীবাদ (মহাত্মা গান্ধী) বিশ্বাসী। তিনি দেশভাগ দেখেছিলেন। তার যন্ত্রণা বুঝেছিলেন। তাই আমাদের আশপাশে যে মুসলিমরা থাকতেন, উনি তাদের আগলে রাখতেন সব সময়। কিন্তু পানিপথের পরিবেশটা ছিল অন্য রকম। হরিয়ানার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা লোকজনরা তেমন মর্যাদা পেতেন না পানিপথে।
ফলে একটা গভীর দুঃখবোধ সব সময় তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াত বলবীরকে। সেই পানিপথেই একেবারে অচেনা, অজানা আরএসএসের একটি শাখার কর্মীরা বলবীরকে দেখা হলেই ‘আপ’ ‘আপ’ (আপনি, আপনি) বলে সম্বোধন করতেন।

বলবীর বলছেন, ‘সেটাই আমার খুব ভালো লেগেছিল। সেই থেকেই ওদের (আরএসএস) সঙ্গে আমার ওঠবোস শুরু হয়। শিবসেনা করতে করতেই বিয়ে করি। এমএ করি রোহতকের মহর্ষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ওই সময় প্রতিবেশীরা ভাবতেন আমি কট্টর হিন্দু। কিন্তু বাবা কোনও দিনই মূর্তি পূজায় বিশ্বাস করতেন না। আমরা কোনও দিনই যেতাম না মন্দিরে। বাড়িতে একটা গীতা ছিল ঠিকই, কিন্তু আমি বা আমার ভাইয়েরা কেউই সেটা কখনও পড়িনি। পানিপথে কেউ বাঁ হাতে রুটি খেলেও তখন তাঁকে ‘মুসলিম’ বলে হেয় করা হয়।’

শিবসেনার লোকজনদের কাছ থেকে ‘সম্মান’ পেয়ে তাঁদের ভালো লেগে যায় বলবীরের। শিবসেনাই তাঁকে অযোধ্যায় পাঠিয়েছিল বাবরি ভাঙতে। পাঠিয়েছিল বলবীরের বন্ধু যোগেন্দ্র পালকেও। তারা হয়ে যান করসেবক।

বলবীর জানিয়েছেন, বাবরি ভেঙে পানিপথে ফিরে যাওয়ার পর সেখানে তাকে ও যোগেন্দ্রকে তুমুল সংবর্ধনা জানানো হয়। তাঁরা যে দু’টি ইট এনেছিলেন বাবরির মাথায় শাবল চালিয়ে, সেগুলি পানিপথে শিবসেনার স্থানীয় অফিসে সাজিয়ে রাখা হয়।

কিন্তু বাড়িতে ঢুকতেই রে রে করে ওঠেন বলবীরের বাবা দৌলতরাম। বলবীরের কথায়, ‘বাবা আমাকে বললেন, হয় তুমি এই বাড়িতে থাকবে, না হলে আমি। তো আমিই বেরিয়ে গেলাম বাড়ি থেকে। আমার স্ত্রীও বেরিয়ে এল না। থেকে গেল বাড়িতেই।’

ওই সময় ভবঘুরের মতো জীবন কাটিয়েছেন বলবীর। জানিয়েছেন, লম্বা দাড়িওলা লোক দেখলেই ভয়ে আঁতকে উঠতেন তখন। বেশ কিছু দিন পর বাড়িতে ফিরে জানতে পারেন, বাবা মারা গিয়েছেন। তিনি বাবরি ভাঙায় যে দুঃখ পেয়েছিলেন বাবা, তাতেই নাকি তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

এর পর পুরনো বন্ধু যোগেন্দ্রের খোঁজখবর নিতে গিয়ে আরও মুষড়ে পড়েন বলবীর। জানতে পারেন, যোগেন্দ্র মুসলিম হয়ে গিয়েছেন। যোগেন্দ্র নাকি তখন বলবীরকে বলেছিলেন, বাবরি ভাঙার পর থেকেই তার মাথা বিগড়ে গিয়েছিল। যোগেন্দ্রর মনে হয়েছিল পাপ করেছিলেন বলেই সেটা হয়েছে। প্রায়শ্চিত্ত করতে গিয়ে তাই মুসলিম হয়ে যান যোগেন্দ্র।

এর পরেই আর দেরি না করে সোনেপতে গিয়ে মৌলানা কালিম সিদ্দিকির কাছে মুসলিম ধর্মে দীক্ষা নেন বলবীর। হয়ে যান মুহাম্মদ আমির।

‘প্রায়শ্চিত্ত’ করতে কী কী করতে চান বলবীর সিংহ ওরফে মুহাম্মদ আমির?

বলবীরের কথায়, ‘কম করে ভেঙে পড়া শ’খানেক মসজিদকে মেরামত করতে চাই।’

লবীরের দাবি, ১৯৯৩ থেকে ২০১৭, এই ২৪ বছরে উত্তর ভারতের বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে মেওয়াটে বেশ কিছু ভেঙে পড়া মসজিদ খুঁজে বের করে সেগুলির মেরামত করেছেন তিনি। উত্তরপ্রদেশের হাথরাসের কাছে মেন্ডুর মসজিদও নাকি সারিয়েছেন বলবীরই। সেই কাজে মুসলিমরাই তাকে এগিয়ে এসে সাহায্য করেছেন, দাবি বলবীরের।

বোলারদের যম ছিলেন, এখন হাঁটতেও পারেন না জয়সূরিয়া! মর্মস্পর্শী কাহিনি জানুন

একসময় প্রতিপক্ষ বোলারদের ত্রাস ছিলেন তিনি। ক্রিজে তাঁকে দেখলে বোলারদের রাতের ঘুম উড়ে যেত। সেই সনৎ জয়সূরিয়া এখন হাঁটতেও পারেননা। ক্রাচ ছাড়া এক পা-ও এগোতে পারেন না শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান। শ্রীলঙ্কান সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, বেশ কিছুদিন ধরে হাঁটুর সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। এখন পরিস্থিতি যা তাতে অস্ত্রোপচার ছাড়া স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারবেন না জয়সূরিয়া।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর দু’বার শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান হয়েছিলেন তিনি। তবে পদে থাকাকালীন নানা ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। এরপর ব্যক্তিগত জীবনেও বিতর্ক তাড়া করেছিল তাঁকে। জনৈক মহিলার সঙ্গে ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হয়ে বেশ বিপাকে পড়েছিলেন।

তবে আপাতত সেসবই অতীত। শারীরিক সমস্যায় কাবু তিনি। শ্রীলঙ্কার প্রথমসারির প্রচারমাধ্যম ‘সিলন টুডে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারিতেই তিনি পায়ে অস্ত্রোপচার করতে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন উড়ে যাবেন। মেলবোর্নেই বিশেষজ্ঞ শল্যচিকিৎসকের তত্বাবধানে পুরো অস্ত্রোপচার হবে। অস্ত্রোপচারের পরেও প্রায় এক মাস চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে থাকবেন তিনি। সবমিলিয়ে দেড় মাসের কাছাকাছি জয়সূরিয়াকে থাকতে হবে অস্ট্রেলিয়ায়।

তারপরেও তিনি স্বাভাবিক হাঁটার ক্ষমতা ফিরে পান কিনা, সেটাই দেখার।-এবেলা