শবে বরাতের প্রমানস্বরূপ কিছু গুরত্তপূর্ণ হাদিস, যা আপনার জানা প্রয়োজন

শবে বরাত একটি ফারসি শব্দ, যার “শব” শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘রাত’ এবং “বরাত” শব্দের অর্থ হচ্ছে ‘ভাগ্য’। অর্থাৎ, এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে, ভাগ্যরজনীর রাত ।এছাড়াও এ রাতের আরো অনেক নাম আছে, ইমাম কুরতুবী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)বলেন, এ রাতের ৪ টি নাম আছে-(ক). লাইলাতুম মুবারাকা,(খ). লাইলাতুল বারাআত, (গ). লাইলাতুছ্ ছাক (ঘ). লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান। শবে বরাত বাংলাদেশের মানুষের কাছে “লাইলাতুল বারাআত” নামেই পরিচিত।হাদিস শরীফে উল্ল্যেখ আছে হুজুরে পাক (সাঃ) বলেছেন, এই মাসেই এক বছরের জন্য (এই শা’বান মাস থেকে পরবর্তী শা’বান মাস পর্যন্ত) সকল মানুষের জন্ম, মৃত্যু এমনকি কেউ যদি বিবাহ করলে তাঁর সন্তান হবে কিনা এসবের তালিকা নির্ণয় করা হয়।

হযরত আলী (রাঃ)হতে বর্ণিত যে, প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এরশাদ করেন, যখন শা’বান এর ১৫ তম রাত্রি তোমাদের নিকট আসবে, তোমরা উক্ত রাত্রিতে নামাজ আদায় করবে এবং দিনের বেলায় রোযা পালন করবে। কেননা, নিশ্চই আল্লাহ্‌ তায়ালা এইরাতে সূর্যাস্তের সময় তাঁর কূদরত মোতাবেক নাজিল হন পৃথিবীর আসমানে এবং রহ্‌মতে খাস্‌ নাজিল করেন। তিনি আরও ঘোষনা করতে থাকেন যে, কোন ক্ষমা প্রার্থী আছো কি, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব। কোন রিযিক প্রার্থনাকারী আছো কি, আমি তোমাকে রিযিক দান করবো। কোন হতাশাগ্রস্থ আছো কি, আমি তোমার হতাশা দূর করে দিবো। এভাবে ফযরের নামাজ পর্যন্ত আল্লাহ্‌ তায়ালা এই ঘোষনা করতে থাকেন।
হাদিস শরীফে আরো উল্লেখ রয়েছে, যারা ১৪ই শা’বানের দিবাগত রাতে যারা আল্লাহ্‌ তায়ালার ইবাদত করবে তাদের জন্য রয়েছে মুক্তি এবং

যারা পরদিন রোযা পালন করবে তাদেরকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না ।
এক হাদিসে বর্ণিত আছে, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) স্বয়ং এই রাতের অর্ধেক, সিজদাহ্ এর মাধ্যমে অতিবাহিত করতেন। এ সম্পর্কে আরো বর্ণিত আছে, হযরত জিব্রাঈল (আঃ) এসে নবি কারিম (সা:) কে বললেন, হে আল্লাহ্র রসুল, আপনি উঠুন, নামজ পড়ুন এবং আল্লাহ্র কাছে আপনার উম্মতের জন্য প্রার্থনা করুন । কারণ, এটা ১৪ই শা’বান এর রাত, এ রাতে আল্লাহ্ তায়ালা তার রহমতের ১০০ টি দরজা উন্মুক্ত করে দেন। আপনি আপনার উম্মতের জন্য দোয়া করুন, কিন্তু মাদকাসক্ত, নেশাখোড়, সুদখোড়, যাদুকর, গনক, কৃপণ ব্যাক্তি, পিতা মাতার অবাধ্য সন্তান, জেনাকারি এবং হিংসা বিদ্বেষকারিদয়ের জন্য কোন দোয়া প্রার্থনা করবেন না। কারণ, এদের জন্য আল্লাহ্র শাস্তি নির্ধারিত আছে। এসব লোক তওবা করে নিজ নিজ খারাপ কাজ পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত এ রাতে আল্লাহ্‌ তায়ালা তাদের কে ক্ষমা করবেন না ।
হাদিস শরীফে উল্লেখ আছে যে, নিশ্চয় ৫ টি রাত্রিতে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়ে থাকে। যার ১ নাম্বারে আছে, রযব মাসের প্রথম রাত, ২ নাম্বারে আছে শব ই বরাতের রাত, ৩ নাম্বারে আছে শব ই কদরের রাত, ৪ নাম্বারে আছে ঈদুল ফিতরের রাত এবং সবশেষ রাত হচ্ছে ঈদুল আযহা এর রাত ।

তিরমিযি শরীফে উল্লেখ আছে যে, একদিন হযরত আয়েশা (রাঃ) ঘুম থেকে উঠে হুজুরে পাক (সাঃ) কে বিছানায় দেখতে পারলেন না। তিনি মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) কে খুঁজতে বের হলেন এবং জান্নাতুল বাকির কবরস্থানে দেখতে পেলেন । মহানবী (সাঃ) তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ১৫ই শা’বানের রাতে আল্লাহ্‌ তায়ালা তার নিজস্ব কূদরত মোতাবেক সর্বনিম্ন আকাশে নাযিল হন এবং আরবের বনূকল উপজাতির ছাগলের গায়ের পশমের সমান সংখ্যক মানুষকে তাদের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা করে থাকেন।

অপর এক হাদিসে বর্ণিত আছে যে, নবী কারিম (সাঃ) বলেছেন, জিব্রাঈল (আঃ) আমাকে বলেছেন, আপনি আপনার উম্মতদের কে জানিয়ে দিন তারা যেন শবে বরাতের রাত কে জীবিত রাখে অর্থাৎ তারা যেন এই রাতটাকে ইবাদতের মাধ্যমে কাটিয়ে দেয় । আরো এক হাদিসে বর্ণিত আছে, এ রাতে ৭০ হাজার ফেরেশ্তা আসমান থেকে জমিনে নেমে আসে এবং ইবাদতকারীদের কে পরিদর্শন করে ।
শবে বরাত নিয়ে বিভিন্ন আলেম-ওলামাদের অনেক মতবেদ আছে, অনেকেই শবে বরাত আছে কিনা এটা নিয়ে অনেক শংকায় আছে। কারণ, পবিত্র কোরআন শরীফে শবে বরাত নিয়ে তেমন কিছু লিখা নাই। কিন্তু এ রাতে ইবাদত করার মধ্যে কোন বাধাও নেই বলে দাবি করেন । উপরিউক্ত হাদিসগুলো সে কথাই প্রমান করছে।

ঢাকায় সেক্সটয়, স্কুল কলেজের মেয়েরা যৌন চাহিদা মেটাতে বেশি ব্যবহার করে! (ভিডিওসহ)

ভিডিওটি দেখুন নিচে

দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।আপনি যদি লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার না করেন তাহলে ফেইসবুকের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পোষ্টগুলো আপনার কাছে পৌঁছাবে না। তাই আমাদের পোস্ট গুলো আপনার ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করুন। ধন্যবাদ

ঢাকায় সেক্সটয়, স্কুল কলেজের মেয়েরা যৌন চাহিদা মেটাতে বেশি ব্যবহার করে

ঢাকায় সেক্সটয়, স্কুল কলেজের মেয়েরা যৌন চাহিদা মেটাতে বেশি ব্যবহার করে

Posted by কেউ বোঝে না on Tuesday, April 24, 2018

জেনে নিন, যে কাজের জন্য, মানুষের গোনাহও নেকিতে রূপান্তরিত হয়!

তাওবা জান্নাতের সোপান। তাওবার মাধ্যমে মানুষ যাবতীয় গোনাহ থেকে আল্লাহর কাছে ফিরে আসে। হাদিসে পাকে তাওবার অসংখ্য ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। যাতে মানুষ আল্লাহর বিধান থেকে গাফেল না হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর। যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার।’ (সুরা নুর : আয়াত ৩১)

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তাওবা কর।’ এভাবে অনেক আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর কাছে তাওবার নির্দেশ দিয়েছেন। আর আল্লাহ তাআলা বান্দার তাওবায় অত্যাধিক আনন্দিত হন। সুতরাং প্রতিটি পাপের জন্য বান্দার তাওবা করা অপরিহার্য।

তাওবার প্রতি গুরুত্বারোপ করে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন, ‘হে মানবমণ্ডলী! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর। কেননা আমি প্রতিদিন একশত বার তাওবা করি।’ (মুসলিম)

সুতরাং গোনাহ সংঘটিত হোক আর না হোক কুরআন ও সুন্নাহর বিধান পালনে দুনিয়া ও পরকালের সফলতা লাভে প্রতিদিন তাওবা করা বান্দার জন্য একান্ত আবশ্যক। কেননা তাওবা করার মধ্যে রয়েছে মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ৩টি উপকারিতা। আর তাহলো-

১.কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশ পালন হয়। কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশ পালন করলে বান্দার দুনিয়া ও পরকালে সফলতা লাভ সুনিশ্চিত। এতেই নিহিত রয়েছে পরম সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ।

২. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হলেন উম্মতের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় আদর্শ। তাঁর জীবনে কোনো গোনাহ ছিল না। তারপরও আল্লাহ তাআলা কুরআনে ঘোষণা দিয়ে তার আগের ও পরের সব গোনাহ করে দিয়েছেন। প্রিয়নবি প্রতিদিনি একশত বার তাওবা করতেন। এবং তাওবা কবুলে দোয়া করতেন।

প্রিয়নবির অনুসরণ ও তাঁর ভালবাসা আল্লাহর ভালবাসা লাভের পূর্বশর্ত। আল্লাহ বলেন, ‘হে নবি! আপনি বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালবাসতে চাও তবে আমার অনুসরণ/আনুগত্য কর; তবে আল্লাহ তোমাদের ভালবাসবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। (সুরা আল ইমরান : আয়াত ৩১)

৩.গোনাহ নেকিতে রূপান্তরিত হয়। তাওবার মাধ্যমে শুধু গোনাহ মাফ হয় না বরং তাওবা মানুষের গোনাহসমূহকে নেকিতে রূপান্তর করে দেয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘কিন্তু যারা তাওবা করে, বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে। আল্লাহ তাদের গোনাহ সমূহকে নেকি দ্বারা পরিবর্তন করে দিবেন। (সুরা ফুরকান : আয়াত ৭০)

সুতরাং কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশ মোতাবেক প্রতিটি মানুষেরই উচিত গোনাহ হোক আর না হোক নিয়মিত আল্লাহর দরবারে তাওবা করা। এতে জানা অজানা সব গোনাহ আল্লাহ ক্ষমা করে সে গোনাহকে নেকিতে পরিণত করে দিবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সব সময় তাওবা করার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নায় ঘোষিত উপকারিতা লাভের তাওফিক দান করুন।

দু মিনিট সময় লাগবে কিন্তু গল্পটি মিস করবেন না

দু মিনিট সময় লাগবে- ধৈর্য ধরে পুরোটা পড়ুন

খারাপ কমেন্ট করবেন না ,,,,,

সাইকোলজির টিচার ক্লাসে ঢুকেই

বললেন :-

আজ পড়াবো না।

সবাই খুব খুশি।

টিচার ক্লাসের মাঝে গিয়ে একটা

বেঞ্চে বসলেন।

বাইরে বৃষ্টি পড়ছে, বেশ গল্পগুজব

করার মতো একটা পরিবেশ।

স্টুডেন্টদের মনেও পড়াশোনার

কোনো চাপ নেই। টিচার খুব

আন্তরিকতার সাথেই পাশের

মেয়েটিকে বললেন :- জননী, তোমার

কি বিয়ে হয়েছে ?

মেয়েটি একটু লজ্জা পেয়ে বললো :-

হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের

ছেলেও আছে।

টিচার চট করে উঠে দাঁড়ালেন।

খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন :-

আমরা আজ আমাদের একজন প্রিয়

মানুষের নাম জানবো।

এই কথা বলে মেয়েটির দিকে তাকিয়ে

বললেন :-

মা আজকে তুমিই টিচার, এই নাও চক্-

ডাস্টার। যাও তোমার প্রিয় দশ জন

মানুষের নাম লেখো।

মেয়েটি বোর্ডে গিয়ে দশ জন

মানুষের নাম লিখলো।

টিচার বললেন :- এঁরা কারা ?

তাঁদের পরিচয় ডান পাশে লেখো।

মেয়েটি তাঁদের পরিচয় লিখলো।

সংসারে, পাশে ও দু একজন বন্ধু,

প্রতিবেশীর নামও আছে।

এবার টিচার বললেন :- লিস্ট থেকে

পাঁচজনকে মুছে দাও।

মেয়েটি তাঁর প্রতিবেশী আর

ক্লাসমেটদের নাম মুছে দিল৷

টিচার একটু মুচকি হেসে বললেন :-

আরো তিন জনের নাম মোছো।

মেয়েটি এবার একটু ভাবনায় পড়লো।

ক্লাসের অন্য স্টুডেন্টরা এবার

সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টিকে।

টিচার খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছেন

মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ

করছে।

মেয়েটির হাত কাঁপছে, সে ধীরে ধীরে

তার বেস্ট ফ্রেণ্ডের নাম মুছলো।

বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো।

এখন মেয়েটি রীতিমতো কাঁদছে।

যে মজা দিয়ে ক্লাস শুরু হয়েছিল, সে

মজা আর নেই।

ক্লাসের অন্যদের মধ্যেও টান টান

উত্তেজনা। লিষ্টে আর বাকি আছে

দুজন। মেয়েটির স্বামী আর সন্তান।

টিচার এবারে বললেন আর একজনের

নাম মোছো।

কিন্তু মেয়েটি ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো।

কারোর নাম সে মুছতে পারছে না,

টিচার বললেন :-

মা গো, এটা একটা খেলা।

সাইকোলজির খেলা। জাস্ট প্রিয়

মানুষদের নাম মুছে দিতে বলেছি।

মেরে ফেলতে তো বলিনি।

মেয়েটি কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে তার

সন্তানের নাম মুছে দিলো।

টিচার এবার মেয়েটির কাছে গেলেন,

পকেট থেকে একটা গিফ্ট বের করে

বললেন :- তোমার মনের উপর দিয়ে

যে ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি

দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে দশটা

গিফ্ট আছে। তোমার সব

প্রিয়জনদের জন্য।

এবারে বলো কেন তুমি অন্য

নামগুলো মুছলে। মেয়েটি বললো :-

প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম

মুছে দিলাম, তবুও আমার কাছে বেস্ট

ফ্রেণ্ড আর পরিবারের সবাই

রইলো।

পরে যখন আরও তিনজনের নাম

মুছতে বললেন, তখন বেস্ট ফ্রেণ্ড

আর বাবা মায়ের নাম মুছে দিলাম

ভাবলাম বাবা মা তো আর চিরদিন

থাকবে না। আমার বেস্ট ফ্রেণ্ড না

থাকলে কি হয়েছে ? আমার কাছে

আমার পুত্র আর তার বাবাই বেস্ট

ফ্রেণ্ড।

কিন্তু সবার শেষে যখন এই দুজনের

মধ্যে একজনকে মুছতে বললেন

তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম

না পরে ভেবে দেখলাম, ছেলে তো বড়

হয়ে একদিন আমাকে ছেড়ে চলে

গেলেও যেতে পারে। কিন্তু ছেলের

বাবা তো কোনো দিনও আমাকে

ছেড়ে যাবে না।

…….তাই নিজের জীবনসঙ্গীকে প্রাণ

ভরে ভালোবাসুন। কারণ, তিনিই শেষ

পর্যন্ত আপনার সাথে, আপনার

পাশে থাকবেন।

ধৈর্য ধরে পুরোটা পড়ার জন্য

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে.

কেমন হয়েছে অবশ্যই কমেন্ট করে

জানাবেন প্লিজ বন্ধুরা…

লেখাটি ফেইসবুক থেকে নেয়া

আত্তাহিয়্যাতু সূরা পড়ার সময় কী আঙুল দিয়ে ইশারা করতে হবে? ইসলাম কী বলে?

জিজ্ঞাসাঃ আত্তাহিয়্যাতু সূরা পড়ার সময় আমরা যে শাহাদাত আঙুল উত্তোলন করি। দেখা যায় যে কিছু কিছু লোক
উত্তোলন করে ছেড়ে দেয়, কিছু কিছু লোক আঙুলটাকে আস্তে আস্তে উপরে নিচে নাড়াতে থাকে,

আবার কিছু লোক আঙুলটাকে সোজা করে উঠিয়ে আঙুলের দিকে তাকিয়ে থাকে। বলে রাসুলের (সা.) নির্দেশ আঙুলের দিকে তাকিয়ে থাকা। আসলে সঠিক কোনটি?

উত্তর: এ ক্ষেত্রে সহিহ পদ্ধতি হচ্ছে, হাদিস দ্বারা যেটি সাব্যস্ত হয়েছে, নবী (সা.) শাহাদাত আঙুল দিয়ে তাওহিদের ইশারা করতেন, তিনি শাহাদাত আঙুলটাকে নাড়াতেন।

যখন আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করতেন তখন রাসুল (সা.) ইশারা করতেন। সুতরাং এটা পুরা সময়টাই ইশারা করার বিষয়টি সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে।

যদি কেউি এভাবে ইশারা করতে চান, তাহলে করতে পারেন। তবে এগুলো মুস্তাহাব বিষয়, এ নিয়ে বাড়াবাড়ির কোনো সুযোগ নেই।

পবিত্র কাবাঘর নির্মাণের ইতিহাস

পৃথিবীর সর্বপ্রথম ঘর বায়তুল্লাহ বা কাবাঘর। আল্লাহর নির্দেশে ফেরেশতারা এ ঘর নির্মাণ করেন। প্রতিবছর লাখ লাখ মুসলমান বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে মক্কা গমন করেন। সৃষ্টির সূচনাকাল থেকেই আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে এ পবিত্র ঘর দুনিয়ার মানুষের জন্য ইবাদতখানা হিসেবে নির্ধারিত হয়ে আসছে। এ মর্মে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয় সর্বপ্রথম ঘর যা মানুষের জন্য নির্মিত হয়েছে তা মক্কা নগরীতে।’ [সুরা আলে ইমরান : ৯৬]

এই বায়তুল্লাহ নির্মাণে সুদূরপ্রসারী এক ইতিহাস রয়েছে। ইতিহাসবেত্তারা বলেন, পবিত্র ও সম্মানিত কাবা শরিফের নির্মাণ ও সংস্কার কাজ বিভিন্ন যুগে বিভিন্নভাবে সম্পাদিত হয়েছে। তাফসিরবিদ মুজাহিদ বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বায়তুল্লার স্থানকে সমগ্র ভূপৃৃষ্ঠ থেকে দুই হাজার বছর আগে সৃষ্টি করেন। মুসলিম শরিফের এক হাদিসে হজরত আবুজর গিফারি রাযি. হতে বর্ণিত আছে, বিশ্বের সর্বপ্রথম মসজিদ হলো মসজিদে হারাম তথা বায়তুল্লাহ।

হজরত আদম আ. কে সৃষ্টির অনেক আগেই মহান আল্লাহ ফেরেশতাদের মাধ্যমে বায়তুল্লাহ নির্মাণ করেন। এরপর আদম আ. থেকে শুরু করে ইবরাহিম আ. পর্যন্ত বিভিন্ন নবী-রাসুলগণের সময়ে তা পুনঃনির্মিত হয়। ইবনে জারির তাবারির বর্ণনায় এসেছে, আরাফাতে ফেরেশতারা আদম আ. কে বলেন, ‘হে আদম! আমরা আপনার দু’হাজার বছর আগে এ ঘরে হজ আদায় করেছি।’
নি¤েœ স্তরে স্তরে বায়তুল্লাহ নির্মাণ ও সংস্কার বিষয়ক বিস্তারিত আলোকপাত করা হলো।

ফেরেশতাদের নির্মাণ : সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ শরিফ মহান আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদের মাধ্যমে তৈরি করেন। ঐতিহাসিক আজরাকি বলেন, হজরত আদম আ. সৃষ্টির পূর্বে ফেরেশতাগণ এ ঘর নির্মাণ করেছিলেন। এ মতের পক্ষে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রযি.-এর একটি সহিহ বর্ণনা রয়েছে। ‘তাহজিবুল আসমা’ গ্রন্থে আল্লামা নববি রহ. ফেরেশতাদের নির্মাণকে সর্বপ্রথম বলে উল্লেখ করেন।
আদম ও হাওয়া আ. এর নির্মাণ : মানুষ হিসেবে হজরত আদম আ. সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ নির্মাণ করেন। বায়তুল্লার ইতিহাসে এ নির্মাণ দ্বিতীয় পর্যায়ের। হজরত আদম ও হাওয়া আ. এর পৃথিবীতে মিলন হলে তারা উভয়ে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ইবাদতের জন্য একটি মসজিদ প্রার্থনা করেন। আল্লাহ তাদের দু’আ কবুল করেন এবং বায়তুল মামুর আকৃতিতে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। হজরত আদম আ. তাতে আল্লাহর ইবাদত করেন। ইমাম বায়হাকি রহ. তার রচিত ‘দালাইলুন নবুওয়াহ’ গ্রন্থে একটি হাদিস উল্লেখ করেন, তা হলো, ‘মহান আল্লাহ ফেরেশতা জিবরাইল আ. কে আদম ও হাওয়া আ. এর কাছে পাঠিয়ে নির্দেশ দিলেনÑ তোমরা উভয়ে আমার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করবে। অতঃপর জিবরাইল আ. একটি ঘর নির্মাণের ছক করে দিলেন। হজরত আদম আ. খনন করেন এবং বিবি হাওয়া আ. মাটি স্থানান্তর করেন। এক পর্যায়ে গায়েবি আওয়াজ আসে, ‘হে আদম! যথেষ্ট হয়েছে।’ ঘর নির্মাণ শেষে আল্লাহ তাঁকে ওই ঘর তাওয়াফের নির্দেশ দিলেন। বলা হলো, আপনি প্রথম মানুষ এবং এটি প্রথম ঘর।

শীস আ. এর নির্মাণ : হজরত শীস আ.ও বায়তুল্লাহ নির্মাণের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি হজরত আদম আ. এর অসিয়তপ্রাপ্ত দায়িত্বশীল ছিলেন। তিনি যখন দেখলেন, কাবা ঘরটি জীর্ণ-শীর্ণ হয়ে আছে, তখন কাদামাটি ও পাথর জড়িয়ে শক্ত করে ঘরটি পুনঃনির্মাণ করেন। এ নির্মাণকাজ ছিল তৃতীয়বারের মতো।

ইবরাহিম আ. এর নির্মাণ : চতুর্থবারের মতো বড়সড় আকারে বায়তুল্লাহর পুনঃনির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন হজরত ইবরাহিম আ. ও তাঁর প্রিয়পুত্র হজরত ইসমাইল আ.। হজরত ইবরাহিম আ. এর নবী হওয়ার অনেক আগেই মানুষ মহান আল্লাহকে ভুলে গিয়েছিল। কাবাঘরটিও ধ্বংস হয়ে বালুর নিচে চাপা পড়েছিল। এমনটি ঘটেছিল হজরত নূহ আ. এর তুফানের সময়। তখন হজরত ইবরাহিম আ. তার উম্মতকে মহান আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিলেন এবং কাবাঘর পুনঃনির্মাণ করার নির্দেশ পেলেন। এ নির্দেশে হজরত ইবরাহিম আ. কাবা নির্মাণের কাজ হাতে নিয়েছিলেন এবং তাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছিলেন তাঁর প্রিয়পুত্র হজরত ইসমাইল আ.। তুরে যাইতা, তুরে সাইনা, জুদি, লুবনান ও হেরা নামক পাঁচটি পাহাড় থেকে পাথর এনে এ নির্মাণ কাজ শুরু করেন। প্রথমবারের মতো পাথরের দ্বারা বায়তুল্লাহর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়েছিল। এ নির্মাণে হজরত জিবরাইল আ.ও সহযোগিতা করেছিলেন।
নবী-রাসুল ব্যতীত বায়তুল্লাহ নির্মাণ : হজরত ইবরাহিম আ. এর পরও বিভিন্ন সম্প্রদায় বিভিন্ন সময় প্রয়োজনে বায়তুল্লাহ সংস্কারের খেদমত করেন। যেমন, পঞ্চমবার আমালিকা সম্প্রদায়, ষষ্ঠবার জুরহুম কাবিলার নির্মাণ এবং সপ্তমবার নির্মাণ করেন কুসাই ইবনে কিলাব। অবশ্য অষ্টমবার নির্মাণের কাজে হাত দেন কুরাইশ সম্প্রদায়। যখন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বয়স ছিল ৩৫ বছর।

আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইরের নির্মাণ : নবম পর্যায়ে কাবার নির্মাণ কাজ হাতে নেন আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর। ৬৪ হিজরিতে যখন ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া রাযি. হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর রাযি.কে মক্কায় আবদ্ধ করে ফেলেছিল তখন বাইরে থেকে মিনজানিকের মাধ্যমে মক্কার ভেতরে পাথর ও আগুন এসে পড়ার কারণে কাবা শরিফের দেয়াল ও ভিত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এ কারণে তিনি এর দেয়াল ভেঙ্গে ইবরাহিম আ. এর ভিত্তির উপর নির্মাণ করার ইচ্ছা পোষণ করেন। তিনি বিষয়টি হজ মৌসুমে সাধারণ লোকদের মতামতের ভিত্তিতে স্থির করলেন। হজের সময় তিনি সবাইকে একত্রিত করে বললেন, হে মানুষেরা! তোমরা আমাকে কাবা শরিফের ব্যাপারে পরামর্শ দাও। কাবাকে ভেঙ্গে নতুন করে হজরত ইবরাহিমের ভিতে নির্মাণ করবো, নাকি বর্তমান অবস্থায় সংস্কার করে দেবÑ সে ব্যাপারে সমর্থন ও পরামর্শ চাই। তখন হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. বললেন, যে ঘরের ওপর মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে, যে পাথরের ওপর তারা ইসলাম নিয়েছে এবং যার ওপর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাসুল হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন, সেই ঘর ও পাথরকে ওই অবস্থায় ছেড়ে দাও।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর রাযি. ইস্তেখারা করে সিদ্ধান্ত নিলেন ভেঙে ফেলার। সবশেষে অত্যন্ত আধুনিকতার ছোঁয়ায় কাবার ভিত্তিপ্রস্তর শুরু করেন। ঐহিহাসিক আজরাকি বলেন, তিনি হজরত ইবরাহিম আ. এর ভিত্তির ওপর বায়তুল্লাহ নির্মাণ করেছিলেন এবং কুরাইশরা যে অংশ অর্থাভাবে নির্মাণের বাইরে রেখেছিল তিনি তা বায়তুল্লাহর ভেতরে ঢুকিয়ে নির্মাণকাজ সম্পাদন করলেন। নির্মাণকাজ রুকন পর্যন্ত উঠে গেলে তিনিই নিজ হাতে হাজরে আসওয়াদ স্থাপন করলেন। জমিন বরাবর দুটি দরজা রাখলেন। একটি বর্তমানের, অপরটি তার বরাবর পশ্চিমদিকে। ভেতরে এক সারিতে তিনটি খুঁটি স্থাপন করলেন। ছাদে ওঠার জন্য রুকনে সামিতে একটি সিঁড়ি রাখলেন। ছাদের পানি নিষ্কাশনের জন্য সরু ড্রেনের ব্যবস্থা করলেন। ভেতরে আলো-বাতাসের জন্য ছোট ছোট ছিদ্র রাখলেন। ঘরের উচ্চতা রাখলেন সমতল থেকে ৯/১০ হাত। পুরো কাজ শেষ হয়েছে ৬৪ হিজরির ১৭ রজব।

হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফের নির্মাণ : হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর রাযি. কে হত্যার পর হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ খলিফা আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানকে লিখে জানালেন, আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর কাবা শরিফের এমন পরিবর্তন করেছে যা পূর্বের ভিত্তি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এমন অংশকে ভেতরে ঢুকিয়েছে যা কাবার অংশ নয়। একটি দরজার স্থলে দুটি দরজা করে ফেলেছে। আমি চাই, কাবা তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসুক। তখন খলিফা তাকে আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইরের বর্ধিত অংশটুকু ভেঙ্গে ফেলতে, পশ্চিমমুখি দরজাটি বন্ধ করে দিতে নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন। এ ঘটনাটি ঘটলো ৭৪ হিজরিতে। অবশ্য পরবর্তী সময়ে তিনি হজরত আয়েশা রাযি. এর একটি হাদিস শুনে লজ্জিত হন। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘হে আয়েশা, তোমার কওম যদি জাহেলিয়াতের কাছাকাছি না হত, তাহলে আমি কাবাকে ভেঙ্গে জমিনের সঙ্গে মিশিয়ে দিতাম এবং হজরত ইবরাহিমের ভিত্তির ওপর নির্মাণ করে দিতাম। তার দুটো দরজা রাখতাম। একটি পূর্বে, অপরটি পশ্চিমে। আর ওই ছয় হাত বাড়িয়ে দিতাম, যা কুরাইশরা নির্মাণের সময় ছেড়ে দিয়েছিল। যদি আগামি বছর আমি বেঁচে থাকি তাহলে নিশ্চয়ই এ রকম করে দিব।’ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করার সুযোগ পাননি, তার আগেই তিনি পরপারে চলে যান।

বাদশাহ আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইরের ভিত্তির ওপর পুনরায় কাবা নির্মাণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছিলেন, কিন্তু করেননি। পরবর্তী সময়ে খলিফা মানসুর ও হারুন-অর-রশীদ তা করতে চাইলেও ইমাম মালিক রহ. এ বলে নিষেধ করলেন, ‘আল্লাহর কসম! আমি তোমাকে বলছি, আল্লাহর ঘরকে রাজা-বাদশাহদের খেলনা বানিওনা। এ টানাটানি ভালোর পরিবর্তে খারাপই বয়ে আনবে বেশি।’ পরে আর তা পুনঃনির্মাণ ও সংস্কার করা হয়নি।

ব্যতিক্রমী-নির্লজ্জ উলঙ্গ বিয়ে ! ভিডিও ভাইরাল হলো ইন্টারনেটে – থাকলো সেই ভিডিও

দেখুন আর্টিকেলের নিচে জামাইকাতে আয়োজিত সেই উলঙ্গ বিয়ের ভিডিও

“শুভ বিবাহ” শব্দটা শুনলেই যেনো সবার মনটা আনচান করে উঠে। বর-কণে, উৎসব-আনন্দ সহ অনেক কিছুই মিশে রয়েছে বিবাহ শব্দটির মধ্যে। বিয়ে একটি মানবিক বিষয়। মানুষ যখন প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে উঠে তখন সে তার জৈবিক চাহিদা মেটানো ও পারিবারিক কাঠামো তৈরি করার জন্য ধর্মীয় রীতি নীতি অনুযায়ী বিয়ে করে থাকে। মানুষের জন্ম লগ্ন থেকে শুরু করে আজ অবধি বিশ্বে বিয়ে প্রথা প্রচলিত আছে এবং থাকবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নিয়মে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। বিয়েকে ঘিরে উৎসব আমেজও বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। বিয়েতে সাধারণত বিয়ের দিন বর ও কণে উভয়ই ঐতিহ্যগত ও ধর্মীয়ভাবে ঝলমলে পোশাক পরিধান করে থাকে। বর্তমান আধুনিক সমাজে প্রত্যেকটা বিষয় পরিবর্তন হচ্ছে ঠিক তেমনি বিয়ের উৎসবেও এসেছে অনেক পরিবর্তন ও নতুনত্ব। আধুনিক এই বিশ্বে মানুষ সব কিছুতেই একটু ব্যতিক্রম খোজার চেষ্টা করে। ফলে পৃথিবী আধুনিক হচ্ছে নাকি অসভ্য হচ্ছে সেটাও একটি মূল্যবান প্রশ্ন। আপনারা হয়তো ভাবছেন বিয়ের অনুষ্ঠানে আবার সভ্য-অসভ্যের কথা আসছে কেন? আসছে এই কারণে যে, বিয়েতে ব্যতিক্রম আনার জন্য মানুষ সভ্যতার চূড়ান্ত সীমা লংঘন করে ফেলছে। আপনি কি কল্পনা করতে পারেন যে, একটি বিয়ে অনুষ্ঠান চলছে আর সেখানে বর কণে পুরো উলঙ্গ হয়ে বসে আছে। হয়তো এমন অবস্থা কল্পনাও করতে পারছেন না। কিন্তু এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে জ্যামাইকাতে। আর এই ঘটনাটি বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছে বিশ্ব ব্যাপী।

২০১২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারী তারিখে জ্যামাইকার সমুদ্র সৈকতে আয়োজন করা হয়েএক নগ্ন বিয়ের উৎসব। যে বিয়ের অনুষ্ঠানে বিয়ে পড়ানো হয় ৯ জোড়া বর কনেকে। যে অনুষ্ঠানটি ছিল খুবই রুচিহীন ও সমালোচনা মুখর। এ দিন বিয়ের অনুষ্ঠানে বর-কণের পায়ে দামি জুতা, হাতে রিস্টব্যান্ড এবং গলায় টাই আর নেকলেস থাকলেও তাদের শরীরে ছিল না কোনও পোশাক। শরীরে কোনও পোশাক না থাকলেও যথারীতি কনেদের অনেকের মাথায়ই ছিল ঘোমটা বা অবগুণ্ঠন! আবার দু-একজন কণে মুকুট বা হ্যাটও পরেছিলেন। উলঙ্গ বর-কনেরা যাতে সহজেই সবার চোখে পড়ে সেজন্য তাদের দেহে বাড়তি সৌন্দর্য ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে তাদের শরীরে ব্যবহার করা হয়েছিল উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করার পেইন্ট! আর কনেদের হাতে লাগানো হয়েছিল লাল, সাদা আর হলুদ রংয়ের বাহারি ফুল।
নয়টি নগ্ন জুটির আলোচিত-সমালোচিত এ গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয় জামাইকার নেগ্রিল সমুদ্র সৈকতে উন্মুক্ত আকাশের নিচে। এমন নির্লজ্জ ও উদ্ভট নগ্ন বিয়ের আয়োজন করেছিল ‘দ্য হেডোনিজম টু রিসোর্ট‘ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করার পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানটি একই সঙ্গে বহন করেছে এই নয় জুটির নগ্ন হয়ে বিয়ে করার যাবতীয় খরচও।

নগ্ন বিয়ের এই অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে অংশগ্রহণকারীদের বাছাই করার জন্য ‘কেন তোমরা নগ্নতার মধ্য দিয়ে দাম্পত্য জীবন শুরু করতে চাও?’ এ প্রশ্নটিসহ আরও কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়। এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তরদাতার মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয় ১০০ জুটিকে। পরে এদের মধ্য থেকে বাছাই করা হয় ভাগ্যবান সেরা ১০ জুটিকে। যাদের প্রদান করা হয় নগ্ন বিয়ের বিশেষ সুযোগ। আনন্দের বিষয় এই যে,অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য মোট ১০টি জুটি নির্বাচন করা হলেও পরে একটি জুটির শুভবুদ্ধির উদয় হলে তারা এই অনুষ্ঠান থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। ফলে অনুষ্ঠানটি নয়টি জুটিকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

নগ্ন বিয়েতে অংশ গ্রহণ করে এই নয় জুটি নিজেদেরকে সৌভাগ্যবান ভেবেছে। অবশ্য বিশ্বের বিবেকবান মানুষরা ভেবেছে তারাই সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব। এই বিয়েকে ঘিরে জ্যামাইকা সহ সমগ্র বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিবেকবান মানুষেরা আশা করেন আধুনিকতা বা ব্যতিক্রমতার নামে ভবিষ্যতে কেউ যেনো আর কোনও দিন এই ধরনের নির্লজ্জ কাজে অংশ গ্রহণ বা আয়োজন না করে।

ব্যতিক্রমী-নির্লজ্জ উলঙ্গ বিয়ে

ব্যতিক্রমী-নির্লজ্জ উলঙ্গ বিয়ে

Posted by কেউ বোঝে না on Tuesday, April 24, 2018

কেয়ামতের আলামত, মাগুরায় এবার জন্ম নিল দেখতে ৮০ বছরের বৃদ্ধ একটি শিশু (দেখুন ভিডিওতে)

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

সুরা মুযাম্মিল এ বলা হয়েছে, যে কেয়ামত যখন নিকটে আসবে তখন এক বুড়া বাচ্চার জন্ম হবে। “অতএব, তোমরা কিরূপে আত্নরক্ষা করবে যদি তোমরা সেদিনকে অস্বীকার কর, যেদিন বালককে করে দেবো বৃদ্ধ? [সুরা মুযযাম্মিল: ১৭]

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খালিয়া গ্রামে অস্বাভাবিক শারীরিক অবস্থা নিয়ে বেড়ে উঠছে একটি শিশু। বৃদ্ধ মানুষের চেহারা নিয়ে মাতৃগর্ভ থেকেই শিশুটির জন্ম হয়। দিনে দিনে এখন আরো প্রকটভাবে ধরা দিচ্ছে বার্ধক্যের ছাপ। অনেকেই এটাকে কেয়ামতের আলামত ভাবছেন।

মাগুরায় এবার জন্ম নিল দেখতে ৮০ বছরের বৃদ্ধ একটি শিশু

মাগুরায় এবার জন্ম নিল দেখতে ৮০ বছরের বৃদ্ধ একটি শিশু

Posted by কেউ বোঝে না on Tuesday, April 24, 2018

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর ১৪০০ বছর আগে বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে !!

মুহাম্মদ (সাঃ) এর ১৪০০ বছর- মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, “পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।”(সহীহ বুখারী ৫৩৭১)বিজ্ঞান বলে, পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে, তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।

মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, “ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত”(সহীহ বুখারী ৫৫১৫)বিজ্ঞান বলে, ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল হতে পারে, অথবা মৃত্যুবরণও করতে পারে।

রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম”(সহীহ বুখারী ৬১২৪)বিজ্ঞান বলে, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুম্পান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতিশক্তি ও কমে যায়।

রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।”(মুসলিম ১৬৫৫)বিজ্ঞান বলে, স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে।

রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে। (সহীহ বুখারী ৩২৮০)বিজ্ঞান বলে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে। আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না, যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে।

রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ।”(সহীহ মুসলিম ৪৯৩ ও ৪৯৪)বিজ্ঞান বলে, দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে।

আল্লাহ সুবনাহু তায়ালা বলেন, “আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়োনা। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ।”(বনি ইসরাঈল ৩২) নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ (মাইদাহ ৯০)বিজ্ঞান বলে, পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশায় যদি কেউ জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা করার ইনটেলেকচুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়।

যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল ও অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে। এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।

আল্লাহ বলেন, “আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।”(আরাফ ২০৪)বিজ্ঞান বলে, কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগীদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে, ঠিক যেমন ভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারীকে সচল করা হয়।

ধামরাইয়ের কবর স্থানের অলৈকিক ঘটনা..!! পাখির কন্ঠে মা বাচাও, আল্লাহ বাচাও ধ্বনি (ভিডিও)

ভিডিওটি পোষ্টের নিচে দেয়া আছে। ভিডিওটি দেখতে স্ক্রল করে পোষ্টের নিচে চলে যান।

ধামরাইয়ের কালামপুর ভালুম কবরস্থানে অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে। সেখানে গত চার দিন ধরে একটি পাখির কণ্ঠে মানুষের মতো ভাষায় কণ্ঠ দিয়ে ‘মা বাঁচাও বাবা বাঁচাও আল্লাহ’ শব্দ করে চিৎকার করছে। পাখির এই চিৎকার শব্দ ধামরাই উপজেলাসহ পাশ্ববর্তী কয়েকটি উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে।

আর পাখিটি এক নজর দেখার জন্য প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ ওই কবরস্থানের পাশে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। আবার অনেকে ওই পাখিটির ছবি ও কন্ঠ ভিডিও চিত্র ধারণ করছে। স্থানীয়রা জানান, ধামরাইয়ের কালামপুর ভালুম কবরস্থানে একটি মেহগনি গাছের মধ্যে একটি পাখি শনিবার বিকেল থেকে হঠাৎ করে মানুষের মতো ‘মা বাঁচাও বাবা বাচাও’ আল্লাহ শব্দ করছে।

এ সময় ওই দিন বিকালে এলাকার কিছু লোক এ কন্ঠ শোনে হতবাক হন। পরের দিন রবিবার সকালেও পাখিটি একই কন্ঠে চিৎকার করছে কবরস্থানে। পরে প্রথমে এলাকা পরে ধীরে ধীরে এ অলৌকিক খবর ধামরাই উপজেলাসহ পাশের আশুলিয়া, সাভার, সাটুরিয়া, মির্জাপুর ও নাগরপুর এলাকার লোক মুখে ছড়িয়ে পড়ে।

আর লোকজন বিষয়টি অবাস্তব মনে করে পাখিটি এক নজর দেখা ও ওই শব্দ শোনার জন্য ভালুম গ্রামের ওই কবরস্থানে আসতে থাকে। হাজারো লোক কবরস্থানের পাশে ভিড় করলেও পাখিটি কবরস্থান থেকে উঠে যাচ্ছে না এবং কন্ঠও বন্ধ করছে না।

তবে ভালুম গ্রামের কেন্দীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি আশরাফ আলী বলেন, পশুপাখিদের ভাষায় আল্লাহর জিকির করে যা সৃষ্টিগত স্বভাব। এটা অলৌকিক কিছু নয়। তিনি বলেন, মানুষ পশুপাখির কন্ঠস্বর ভিন্ন ধরনের বাক্যে রূপান্তরিত করে প্রচার করে যাচ্ছে যা ইসলামে কোন ভিত্তি নেই।

ভালুম গ্রামবাসী জানান, দুর-দুরান্ত থেকে এ পাখি দেখার জন্য লোকজন কবরস্থানে আসতেছে। তবে শিক্ষিত সমাজ অবশ্য বলেছেন বিষয়টি মূর্খতারই ফসল কেননা, পাখিটি তার স্বভাব সুলভ ডাকছিল

ভিডিওটি দেখুনঃ

ধামরাইয়ের কবর স্থানের অলৈকিক ঘটনা..!! পাখির কন্ঠে মা বাচাও, আল্লাহ বাচাও ধ্বনি

ধামরাইয়ের কবর স্থানের অলৈকিক ঘটনা..!! পাখির কন্ঠে মা বাচাও, আল্লাহ বাচাও ধ্বনি

Posted by কেউ বোঝে না on Monday, April 23, 2018

জেনে নিন, ইসলামে ঘুমের মধ্যে – বোবায়’ ধরার ব্যাখা ও প্রতিকার !

‘বোবা’ ধরা সারা বিশ্বের সকল সমাজে প্রচলিত অতি প্রাচীন এবং অতি প্রাকৃতিক ঘটনা। একে ঘুম বিশেষজ্ঞগণ চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় “স্লিপিং প্যারালাইসিস” (Sleeping Paralysis) বলে আখ্যায়িত করে থাকেন।

বর্তমান চিকিৎসাবিজ্ঞান সেক্যুলার নাস্তিক্যবাদে বিশ্বাসী এবং ধর্মীয় বিশ্বাস ও অতিপ্রাকৃতিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ বিবর্জিত। তাই তারা এই প্রাচীন এবং বর্তমানেও সংঘটিত ও অভিজ্ঞতালব্ধ বিষয়টিকে (বোবা ধরা) নিজেদের মতো করেই ব্যাখ্যা করে থাকেন। তারা যেমন বলেন “বোবায় ধরা” একটা মানসিক ব্যাধি, তেমনি এর কারণ দর্শিয়ে (তাদের মতে) বলেন, এটা মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, অনিয়মিত ঘুম ইত্যাদি কারণে হয়।

যখন কাউকে বোবায় ধরে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ যখন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন, ঐ সকল বিশেষজ্ঞগণ এর চিকিৎসায় ঘুমের পিল এবং আরও কিছু মনোরোগ, শ্বাস-প্রশ্বাস ও স্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালনের ওষুধ দিয়েই ক্ষান্ত হন। সম্ভব হলে নিজের তত্বাবধানে রেখে নিয়মিত চেক-আপও করেন। কিন্তু তারপরও যখন কোনো সুচিকিৎসা দিতে পারেন না, তখন বলেন, এটা “প্যারানরমাল” (Paranormal), “সুপার-ন্যাচার‍্যাল” (Supernatural) বা “অদ্ভূদ রোগবিশেষ”!!

বোবায় ধরা কোন মানসিক রোগ নয়। মুলতঃ এর ব্যাখ্যা ইসলাম অত্যন্ত ভালভাবেই দিতে পারে। এর জন্য আসুন জেনে নিই, ইসলামী দর্শন এ বিষয়টিকে কিভাবে ব্যাখ্যা করে।

আপনারা জানেন, পৃথিবীতে সৃষ্টিকুলের মধ্যে যেমন দৃশ্যমান মানবজাতি এবং জীব-জন্তু রয়েছে, তেমনি রয়েছে অদৃশ্যমান জ্বীনজাতি ও ফেরেশতাকুল। জ্বীন সম্প্রদায়ের মধ্যেও মানুষের মতো বোবার অস্তিত্ব আছে। সেইসব বোবা জ্বীনদের মধ্য থেকে কতিপয় জ্বীন যখন মানব সমাজে চলে আসে বা বিচরণ করে, তারা অন্যান্য স্বাভাবিক জ্বীনের মতো মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না, আর পারে না অন্যান্য জ্বীনদের সাথেও তাদের মতামত আদান-প্রদান করতে। তাই তারা কখনও কখনও তাদের ইচ্ছেমত মানুষকে বিরক্ত করে। অন্য সময় পারে না বলে ঘুমের সময়টাকেই তারা বেছে নেয়।

কখনও কখনও এই সব বোবা জ্বীন তাদের পছন্দমত মানুষের কাছে আসে এবং ঘুমের মধ্যে তার উপর ভর করে। পছন্দমত বলছি এ কারণে, যেহেতু তারা দুনিয়ার সকল মানুষকেই ধরে না। ফলে অনেক মানুষই বলে থাকে যে, “আমাকে তো কখনই বোবায় ধরে না?”

যাই হোক, বোবা জ্বীনরা কখনও দুষ্টামী করেই কারও উপর ভর করে, আবার কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে ভয় দেখানোর জন্য কিংবা বিরক্ত হয়েই তার উপর ভর করে। তবে ঠিক কি কারণে তারা এমনটি করে, তা জানা সম্ভব হয় না এ কারণে যে, তারা বোবা (হাজারবার জিজ্ঞেস করলেও এরা আপনাকে উত্তর দিতে পারবে না)। তাই শুধু অনুমান করা যায় মাত্র।

এমনও ঘটেছে যে, সারা জীবনে কোনো কোনো মানুষকে মাত্র একবার বোবায় ধরে, আবার কেউ কেউ বহুবার তাকে বোবায় ধরেছে বলেও স্বীকার করে। এর সঠিক কারণ জানা যায় না যে, কেন কারো ক্ষেত্রে কম আর কারো ক্ষেত্রে বেশি পরিমাণে ঘটে থাকে? আল্লাহ পাক এবং তাঁর রসূলই এর অধিক ভাল জানেন।

► বোবায় ধরলে কী কী অভিজ্ঞতা হতে পারে?
————————————–
এখানে একটি বিষয় ব্যাখ্যা করা দরকার, তা হলো অনেকের এমন হয়, বোবায় যে ধরেছে, এটা বুঝার পূর্বে তারা অনেক দুঃস্বপ্ন দেখতে থাকেন। তারপর দুঃস্বপ্নের এক পর্যায়ে তারা বুঝতে পারেন, তাদের পুরো শরীরের উপর বা কোনো বিশেষ অঙ্গের (যেমনঃ মাথা, বুক, হাত ইত্যাদি) উপর কেউ ভর করে আছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কারও (জ্বীনের) লোমশ হাতের কথাও অনেকে বলে থাকেন। এক এক জনের অভিজ্ঞতা এক এক রকম।

দুঃস্বপ্ন দেখতে থাকার কারণ হলো, ঐসব বোবা জ্বীন স্বল্প সময়ের জন্য মানুষের স্বপ্নকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং তারা সাধারণত দুঃস্বপ্নের মধ্য দিয়ে মানুষকে নিতেই পছন্দ করে যেন ঐ সকল মানুষ স্বপ্নের এক পর্যায়ে আকস্মিক ঘুম ভেঙ্গে উঠে অসহনীয় এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি অনুভব করে। তাই এটা বোবা জ্বীনদের মানুষের শরীরের নড়াচড়া করতে না দেয়ার পাশাপাশি আরেকটি কূট-কৌশল।

এটা সচরাচর প্রায় সবার ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে যে, এই পরিস্থিতিতে বোবায় ধরা ব্যক্তি নিজের হাত-পা বা দেহের কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নাড়াতে পারে না (চোখের কর্নিয়া ব্যতীত)। এর কারণ খুঁজে দেখা গেছে, বোবা জ্বীনদের এক বিশেষ ক্ষমতা থাকে, যাকে বলা হয় “ব্লাড বেন্ডিং (Blood Bending)”। এ ক্ষমতার দ্বারা তারা মানুষের রক্তের চলাচল পথকে এবং রক্তকণিকাকে স্বল্প সময়ের জন্য নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে। আর রক্তের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলেই, দেহের বিভিন্ন স্থানে তারা রক্ততঞ্চন ঘটাতে পারে, ফলে সারা শরীর বা শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ নড়াচড়া করা সম্ভব হয় না। এবং তারা যে সময়টুকু মানুষের উপর ভর করে থাকে, এর চলে যাওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত এ বিশেষ ক্ষমতার প্রয়োগ তারা দেখাতে পারে। এর আরেকটা কারণ হচ্ছে, তারা চায় না, তাদের অদ্ভূদ আকৃতি-প্রকৃতি বা চেহারা কোন মানব দেখুক। আবার ইচ্ছা করলে তারা অদৃশ্যভাবেও মানুষের উপর ভর করতে পারে।

তবে হ্যাঁ, বোবা ধরলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শ্বাস-প্রশ্বাস বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ নড়াচড়ায় ব্যাঘাত ঘটলেও মারা যাওয়ার আশংকা নেই। এ পর্যন্ত কোন জ্বীন ঘুমের মধ্যে কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছে বা মেরে ফেলেছে বলে শোনা যায় না। আল্লাহ পাক এ বিষয়টি মানুষ এবং জ্বীন সম্প্রদায়ের মধ্যে ভারসাম্য বিধান করে দিয়েছেন। বোবা জ্বীনের কারণে বা বোবায় ধরলে যদি অসংখ্য মানুষ মারা যেত, তাহলে তা মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকিসরূপ হয়ে দাঁড়াত।